নিজস্ব প্রতিনিধি , ঢাকা - গভীর রাতে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে কুপিয়ে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠল গৃহকর্তার বিরুদ্ধে। ওপার বাংলার এই পৈশাচিক ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছেন। কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে ঘটা এই হাড়হিম করা কাণ্ডে বর্তমানে গোটা দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ফোরকান পেশায় একজন গাড়িচালক। তিনি পরিবার নিয়ে এলাকার বাসিন্দা মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী শারমিন, শ্যালক রসুল, ৩ নাবালিকা কন্যা মিম, হাবিবা ও ফারিয়া। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় সবার দেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পারে, শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ শ্যালক রসুলকে চাকরির টোপ দিয়ে ডেকে এনেছিলেন ফোরকান। এরপর রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক থাকায় তার সন্ধানে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
নিহত শারমিনের ভাগ্নে সাকিব জানান, 'শ্যালক রসুলকে কাজ দেওয়ার কথা বলে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফোন করে ডেকেছিলেন ফোরকান। তার বাড়িতেই রাতে থাকার কথা ছিল রসুলের। আমার অভিযোগ, রাতের খাওয়া সেরে বাড়ির সকলে ঘুমিয়ে পড়লে এই হত্যা করে ফোরকানই। ও অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার খুনি, না হলে নিজের ছোট ছোট বাচ্চাদের এভাবে শেষ করতে পারত না। আমরা দোষীর কঠোর শাস্তি চাই'।
ভারতের প্রত্যাঘাতে ঘরবাড়ি ও স্বজন হারানোর সেই ‘ব্যথা’ যে এখনও মেটেনি, তা আজহারের এই হাড়হিম করা আক্রমণেই স্পষ্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই অনড় অবস্থানের ফলে দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক অচলাবস্থা আরও জটিল আকার ধারণ করল
বিমানবন্দরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কীভাবে ওই যুবক রানওয়েতে প্রবেশ করলেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে
হাইকোর্টেও মিলল না স্বস্তি
এই ঘটনাটি বর্তমানে নেটদুনিয়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে
সাফ জানানো হয়েছে , রাষ্ট্রপ্রধানের কোনো ক্ষতি হলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ
এই অলৌকিক সাফল্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক চিকিৎসা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে