নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম মেদিনীপুর - দুর্গাপুজো আর এক মাসও বাকি নেই। পাড়ায় পাড়ায় পুজোর দামামা বেজে গেছে ইতিমধ্যেই। কিন্তু এবারে মাথায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঘাটালের পুজো উদ্দ্যোক্তাদের। জলমগ্ন অবস্থায় রয়েছে পুজো মণ্ডপগুলি। ১২ টি ওয়ার্ডের প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি এলাকা জলমগ্ন।
সূত্রের খবর , পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল বিধানসভার প্রায় ১২ টি ওয়ার্ড এখনও জলমগ্ন। পুজো মণ্ডপের পাশ দিয়ে চলছে ডিঙি নৌকো। এখনও বাড়ছে নদীর জল। পুজো মণ্ডপে বাঁশের মাচা বাঁধা হলেও বাকি কাজে এখনও হাত দিতে পারেনি পুজো উদ্যোক্তারা। এহেন অবস্থায় কিভাবে পুজো হবে তাই নিয়ে চিন্তিত পুজো উদ্যোক্তারা। উদ্যোক্তাদের দাবি, 'জল কমলে পুজো হবে না কমলে হবে না।'
ঘটনা প্রসঙ্গে এক পুজো উদ্যোক্তার দাবি , ' বাঁশ দিয়ে পুজো মণ্ডপ বাধা হয়েছিল। খুঁটি পুজোও হয়েছিল কিন্তু বৃষ্টির জন্য আর কিছু করা যায়নি। বৃষ্টি কমলে পুজো হবে নইলে বালি ফেলে পুজো করতে হবে। বড়ো করে পুজো করা যাবে না।'
প্রসঙ্গত , লাগাতার বৃষ্টির ফলে জলমগ্ন ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলা। পুজো মন্ডব থেকে শুরু করে প্রতিমা তৈরি সব কিছুতেই অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে শিল্পীদের। সব মিলিয়ে এবারে পুজো কিভাবে হবে তা নিয়ে চিন্তার মধ্যে পড়তে হচ্ছে পুজো উদ্যোক্তাদের।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়