নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বন্যা পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। সোমবার শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রওনার আগে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে ফের একবার কেন্দ্রকে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করেন তিনি।
সূত্রের খবর, সোমবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ' লক্ষ্মীপুজোর দিন আমাদের উত্তরবঙ্গে যেতে হচ্ছে। কলকাতায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে জল জমেছিল প্রায় ৬ ঘণ্টা। উত্তরবঙ্গেও শনিবার প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় ১২ ঘণ্টা। তারপর ভুটান আর সিকিমের জল এসে পুরো বন্যার পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এখনও গঙ্গায় ডুবু ডুবু পরিস্থিতি।'
মুখ্যমন্ত্রী ফের ডিভিসিকে নিশানা করে বলেন, ' বিহার থেকে জল ছাড়লে গঙ্গায় আসছে, উত্তরপ্রদেশ থেকে জল ছাড়লে এখানে আসছে। তাহলে বাংলার জলগুলো যাবে কোথায়। ডিভিসি নিজের ইচ্ছার মতন জল ছেড়ে যাচ্ছে। ঝাড়খন্ডকে বাঁচাতে নিজেদের জল ছেড়ে যাচ্ছে। তাইলে ড্যাম্প রাখার কি দরকার না থাকলে জল প্রাকৃতিক ভাবে আসতো আবার চলে যেতো। ডিভিসির জল ছাড়ার জন্য দক্ষিণবঙ্গকে ফল ভুগতে হচ্ছে। সব ভেসে যাচ্ছে।'
সিগন্যাল বিভ্রাটের জেরে বন্ধ মেট্রো পরিষেবা
যদিও কি কারণে এই তল্লাশি অভিযান সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি
রাজ্যসভার সচিবকে চিঠি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের
শুক্রবার ভোর থেকে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
অভিযান ঘিরে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়