নিজস্ব প্রতিনিধি , নিউ ইয়র্ক - কার্লস আলকারাজ বনাম ইয়ানিক সিনার লড়াই দেখতে আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২৫ বছর পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের পায়ের ধুলো পরে ওই স্টেডিয়ামে। ম্যাচে জয় পান স্প্যানিশ তারকা। ম্যাচ শেষে ক্যামেরা তাক করতেই দেখা যায় মুখ ট্রাম্পের মুখ ভার। অনেকেই এই নিয়ে তাকে বিদ্রুপ করেছেন। শুধু তাই নয় , শুরু থেকেই কটাক্ষের শিকার হন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের আগমনের দেরিতে পিছিয়ে দেওয়া হয় ফাইনাল ম্যাচ। প্রায় ৩০ মিনিট পর শুরু হয় আলকারাজ সিনার লড়াই। ট্রাম্পের আগমনের জেরে নিরাপত্তারক্ষী সহ সিক্রেট সার্ভিস উঠেপড়ে লাগে। সকলকেই চিরুনী তল্লাশি করা হয়। ট্রাম্পের জেরে নাকি অনেকেই নানারকম সমস্যার মুখে পড়েন। এমনই জানান কিছু টেনিসপ্রেমী।
তবে সমর্থকদের টিটিকিরি যে ধেয়ে আসতে পারে তা আগেই অনুমান করা হয়। ট্রাম্প স্টেডিয়ামে পৌঁছনোর পর কোনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু প্রথম সেটের পর জায়ান্ট স্ক্রিনে তার মুখ ভেসে উঠতেই নানা টিটকিরি শুরু হয়। ইউএস ওপেন আয়োজকদের পক্ষ থেকে অবশ্য আগেই সম্প্রচারকারী চ্যানেলগুলিকে বলে দেওয়া হয় এমন পরিস্থিতি হলে যেন ‘মিউট’ করে দেওয়া হয়।
একজন বলেছেন, "অনেক দর্শক গাড়ি পার্কিং করতে পারেননি। মাইলের পর মাইল হাঁটতে হয়েছে। সেলিব্রিটিদেরও ঠায় অপেক্ষা করতে হয়েছে।" মিশিগান থেকে ফাইনাল দেখতে আসা কারেন স্টার্ক বলেছেন , "ট্রাম্প তো দেখছি যেখানে খুশি যেতে পারেন, যে কোনও ম্যাচ দেখতে পারেন।"
নির্দেশ অমান্য করলে কড়া পদক্ষেপের হুমকিও দেওয়া হয়েছে
আর্সেনাল - ২
চেলসি - ১
ভারতের বিরুদ্ধে হারের পরেই এই সিদ্ধান্ত পাক বোর্ডের
ভারতকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী মেলেনি আমিরের
স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় নেটে ব্যাটিং করছেন ধোনি
সঞ্জুর মানসিকতার প্রশংসা করেছেন গম্ভীর
ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে যাওয়ার টিকিট কেটেছে পাকিস্তান
ইডেনে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন সঞ্জু
ওয়েস্ট ইন্ডিজ - ১৯৫/৪(২০)
ভারত - ১৯৯/৫(১৯.২)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত
ম্যাচ শুরুর হবে সন্ধ্যে ৭ টায়
মধ্যপ্রাচ্যে দাউদাউ করে জ্বলছে যুদ্ধের আগুন
ম্যানচেস্টার সিটি - ১
লিডস ইউনাইটেড - ০
রঞ্জিতে ৬০ উইকেট নিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন তিনি
সুপার ৮ পর্বের একটি ম্যাচেও জয় আসেনি শ্রীলঙ্কার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর