নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - বিশেষ তিথিতে ঠাকুরবাড়ি যাওয়ার পথে রেলের অব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবাদে সরব হলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় শান্তিপুরে। শেষ পর্যন্ত রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ উঠে গেলেও, এই পরিস্থিতি পরিষেবা ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , বুধবার বিশেষ পুণ্য তিথি উপলক্ষ্যে বনগাঁ ঠাকুরবাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে কয়েকশো মতুয়া পুণ্যার্থী লোকাল ট্রেন ধরতে শান্তিপুর স্টেশনে জড়ো হয়েছিলেন। অভিযোগ, কোনও পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই রেল কর্তৃপক্ষ নিয়মিত বনগাঁ লোকাল ট্রেনটি হঠাৎ বাতিল করে দেয়। ঠাকুরবাড়ি যাওয়াতের প্রধান যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন ভক্তরা। এরপরই রেললাইনের উপর ডঙ্কা ও কাঁসর বাজিয়ে প্রতিবাদে সামিল হন তাঁরা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এই ঘটনা নতুন নয়। অতীতেও বিশেষ ধর্মীয় উৎসব বা তিথির দিনগুলিতে রেলের তরফে এমন বেনিয়ম ও অসহযোগিতার নজির মিলেছে। মতুয়া ভক্তদের দাবি, রেল প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁদের হয়রানির মুখে ফেলছে। প্রায় ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই অবরোধের জেরে শান্তিপুর-শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ থমকে যায়। শতাধিক সাধারণ যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রেল পুলিশ (GRP) ও আরপিএফ (RPF)। পরে রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন। পরবর্তীকালে রেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়। এরপরই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হলেও রেলের এই আচমকা সিদ্ধান্তে ক্ষোভ কাটেনি মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে।
বিক্ষোভকারী এক ব্যক্তি জানান, ‘আজকের এই পবিত্র দিনে শতাধিক মানুষ ঠাকুরবাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিলেন। রেল কর্তৃপক্ষ জানত যে আজ ভিড় হবে, তবুও পরিকল্পিতভাবে ট্রেনটি বাতিল করা হয়েছে। এটি আমাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত। রাজনৈতিক সমাবেশে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হয়, আর এখন কেন কমিয়ে দেওয়া হল? এর পেছনে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মদত রয়েছে। এই উদাসীনতা আমরা মানব না'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়