নিজস্ব প্রতিনিধি, ওয়াশিংটন - মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আপাতত ব্যাহত তেল সরবরাহ। ইরান প্রায় অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী। এই আবহে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইটের দাবি, “হরমুজ দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার পার করিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী।“ তাঁর এই মন্তব্যের পরই শুরু হয় বিতর্ক। এর মাঝে পোস্ট ডিলিট করে দিয়েছেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট লিখেছিলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ বজায় রাখতে আমেরিকার নৌবাহিনী একটি তেলের ট্যাঙ্কারকে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে নিরাপদে পার করিয়ে দিয়েছে।“ তাঁর এই পোস্টের পর প্রশ্ন উঠতে থাকে, হরমুজের দখল নেওয়ার চেষ্টা করছে আমেরিকান সেনা? যদিও বিতর্ক শুরু হতেই পোস্টটি ডিলিট করেছন ক্রিস রাইট।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালীতে ৩ টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার। এর জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশছোঁয়া। দীর্ঘ সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে তেলের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ইরানের তেল রফতানি করে সবচেয়ে বেশি। প্রায় ৯০ শতাংশ। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্য়াঙ্কারে করে নিয়ে যাওয়া হয় বিশ্বজুড়ে ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল।
জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ
হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে দিয়েছে তেহরান
মানবিক সঙ্কট ইরানে
যুদ্ধ থামার বদলে আরও বাড়ছে
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিরাট ধাক্কা
হরমুজ প্রণালী বন্ধ হতেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট
মোজতবাকে মানতে নারাজ ইরানের বাসিন্দারাও
ইতিমধ্যেই হরমুজ দখলের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ইরানকে পুরোদমে শেষ করতে মরিয়া ট্রাম্প
বিশেষ বার্তাগুলির পাঠোদ্ধার করতে এখনও ব্যর্থ আমেরিকার গোয়েন্দা বিভাগ
ইরানের পাশে থাকার আশ্বাস পুতিনের
একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে আরব আমিরশাহি
আমেরিকাকে যুদ্ধ শেষ নিয়ে পাল্টা হুমকি ইরানের
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দ্বিচারিতা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে
ইউনুস জমানা ও তারেক জমানা, একে অপরের বিপরীত
মানবিক সঙ্কট ইরানে
যুদ্ধ থামার বদলে আরও বাড়ছে
বন্ধের মুখে একাধিক হোটেল-রেস্তরাঁ
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিরাট ধাক্কা
প্রায় অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী