নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - রাতের অন্ধকারে গোয়াল ঘরে হানা দিয়ে একাধিক ভেড়াকে মেরে ফেলল হিংস্র কুকুরের দল। বিষয়টি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মানিকচকের ভুতনি থানার অন্তর্গত দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকায়। এই ঘটনায় ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন পশুপালক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , উমেশটোলা এলাকার বাসিন্দা সুজিত ঘোষ পেশায় একজন পশুপালক। গবাদি প্রাণী লালনপালন করেই তাঁর সংসার চলে। বাড়িতেই প্রতিপালন করতেন প্রায় ৩২টি ভেড়া। প্রতিদিনের মতো রবিবার রাতে সবকটিকে নির্দিষ্ট ঘরের মধ্যে রেখে নিশ্চিন্তে বিশ্রামে যান তিনি।

সোমবার ভোর প্রায় ৩টে নাগাদ হঠাৎ তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। তখনই চারপাশে একদল কুকুর ঘোরাফেরা করতে দেখেন। সন্দেহ হওয়ায় ভেড়ার ঘরের ভিতরে প্রবেশ করতেই চক্ষুচড়কগাছ তাঁর। দেখেন সমস্ত প্রাণী রক্তাক্ত অবস্থায় নিথর পড়ে রয়েছে। পশুপালকের অনুমান, গভীর রাতে কুকুরের দল হানা দিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়েছে।
সুজিত ঘোষ জানান, 'সংসার চালানোর একমাত্র সম্বল ছিল এই পশুগুলো। রাতে সব ঠিকঠাক রেখে গিয়েছিলাম। সকালে এমন দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে যাই। নিজের হাতে বড় করেছি ওদের, দেখে ভীষণ কষ্টও হচ্ছিল। কয়েক হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন কীভাবে ঘুরে দাঁড়াব বুঝতে পারছি না'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়