নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - ফের শহরে রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডের ছায়া। বন্ধ ঘরের ভিতরে দিনের পর দিন পড়ে ছিল গৃহবধূর মৃতদেহ। সেই ঘরেই ছিলেন অসুস্থ স্বামী আর প্রতিবন্ধী ছেলে। পরবর্তীতে এলাকার মানুষ নৈহাটি থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। গুরুতর অসুস্থ মৃতার স্বামী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রের খবর , নৈহাটী শাস্ত্রী রোডের বাসিন্দা তৃপ্তি নন্দী (আনুমানিক ৫৫)। প্রায় ৬,৭ দিন হয়ে গেছে তৃপ্তি নন্দীর মৃত্যু হয়েছে কিন্তু তারপরও তার দেহ সৎকার করেনি পরিবারের লোক। বরং স্বামী গৌর নন্দী আর প্রতিবন্ধী ছেলে তার মৃতদেহ আগলে ঘরের মধ্যে রেখে দেয়। প্রতিবেশিরা ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি। বিকেলে তৃপ্তি নন্দীর বোন হাওড়া থেকে এসে দেখে ঘর থেকে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে। তারপরই ঘরে ঢুকে দেখে দিদির মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। অনুমান করা হচ্ছে দীর্ঘদিন না খাওয়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নৈহাটি পৌরসভার পৌরপ্রধান অশোক চ্যাটার্জী জানিয়েছেন, "যে অভিযোগ উঠেছে যে না খেতে পেয়ে তিনি মারা গেছে এটা সম্পূর্ণ ভুল , কারণ মমতা ব্যানার্জীর রাজ্যে কেউ কখনও অভুক্ত হয়ে থাকতে পারেনা। আমি যদি জানতাম এইরকম সমস্যা হয়েছে অবশ্যই তখন পাশে দাঁড়াতাম। আমাদের ওয়ার্ডের এক ছেলে ঋতুরাজ যখন SIR নিয়ে ফর্ম ফিলাপের জন্য যায় তখন দেখে দরজায় তালা দেওয়া আর ভিতর থেকে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে। তারপর জানলা দিয়ে দেখে ঘরের মধ্যে মৃতদেহ পরে আছে আর সেই দেহ আগলে রেখেছে ওনার স্বামী আর ছেলে।"
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর