নিজস্ব প্রতিনিধি , আসানসোল - ফর্ম ৭ ইস্যুকে নিয়ে রাজ্যজুড়ে উত্তাল পরিস্থিতি। ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে ফের উত্তাল হয়ে উঠল রাজ্য রাজনীতি। কালো গাড়িতে করে বিপুল সংখ্যক ফর্ম–৭ এনে জমা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আসানসোল মহকুমা শাসকের দফতর চত্বরে ছড়াল তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মাঝেই হাতাহাতি, ভাঙচুর এবং অবরোধে কার্যত অচল হয়ে পড়ে এলাকা।
তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, ফর্ম–৭ জমা দিয়ে পরিকল্পিতভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে বিজেপি। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই আসানসোলে কালো গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয় এবং আসানসোল দক্ষিণ থানার মহকুমা শাসকের অফিসে শুনানি চলাকালীন হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
যদিও তৃণমূলের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে বিজেপি। উত্তেজনার রেশ ছড়িয়ে পড়ে আসানসোল দক্ষিণ পুলিশ পোস্ট পর্যন্ত। সেখানে বিজেপির তরফে পাল্টা কর্মসূচি শুরু হয়। আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বিজেপির আসানসোল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও রাজ্য কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বার্নপুর রোডে অবরোধে বসেন। দক্ষিণ পুলিশ পোস্ট ঘেরাও করে স্লোগান তুলতে থাকেন তারা।
বিজেপি বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, 'আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তার ক্যাডারদের লেলিয়ে আমরা যাতে ফর্ম ৭ জমা দিতে না পারি। সকাল সাড়ে ১০টার সময় আমার কার্যকর্তারা ফর্ম নিয়ে সকল বিধানসভা থেকে এসিডও অফিসে পৌঁছান। পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের মারধর করা হয়। এক মহিলা কার্যকর্তার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।'
নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ' মিস্টার জ্ঞানেশ কুমার আপনাকে এগুলো দেখতে হবে। আমরা ফর্ম ৭ জমা দেব। কীভাবে জমা দেব, এই পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা। এটা কার্যকর্তার ওপর হামলা নয়, গণতন্ত্রের ওপর হামলা। আপনারা ওখান থেকে বলছেন, আপনারা নির্দেশ দিচ্ছেন, আপনার ইআরও, ডিএ সেকথা শুনছেন না। কীভাবে আমরা দেব ? আপনি ব্যবস্থা করুন। যতক্ষণ না আমরা উত্তর পাই, আসানসোল জেলার সমস্ত কার্যকর্তা এই রাস্তায় অবরোধে বসে আছি।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়