নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি – বিপজ্জনক স্তরে নেমে গিয়েছে দিল্লির বাতাসের মান। ধোঁয়াশার চাদরে মুড়ে গিয়েছে রাজধানী। দিল্লির বাতাস ‘বিষাক্ত’ হয়ে গিয়েছে। এই আবহে দিল্লির দূষণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রশ্ন করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে রাহুল গান্ধী বলেন, “আমি যত মায়েদের সঙ্গে কথা বলেছি সকলের একটাই বক্তব্য, তাঁদের সন্তানরা বিষাক্ত বাতাস নিয়ে বড় হচ্ছে। মোদিজি, ভারতের সন্তানরা আমাদের চোখের সামনে শেষ হয়ে যাচ্ছে। তারপরেও আপনি কী করে চুপ থাকেন? আপনার সরকার কেন দায়িত্ব নেয় না? কেন দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে না? পরিষ্কার বাতাসটুকু ভারতের খুদেদের প্রাপ্য।“
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড বা CPCB-র তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে দিল্লির বাতাসের গড় গুণমান সূচক বা ‘এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স’ (একিউআই) ছিল ৩৮৪। মুন্ডকায় ৪৩৬, রোহিণীতে ৪৩২, আনন্দ বিহারে ৪০৮, জাহাঙ্গিরপুরীতে ৪২০। দিল্লিবাসীকে মাস্ক ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
দিল্লির দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট’ (সিএকিউএম)-এর তরফে চার স্তরীয় পরিকল্পনা করা হয়েছে। একিউআই ০-৫০ -এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’, ৫১-১০০ থাকেল ‘সন্তোষজনক’, ১০১-২০০ থাকলে ‘মাঝারি’, ২০১-৩০০ থাকলে ‘উদ্বেগজনক’, ৩০১-৪০০ থাকলে ‘খুব উদ্বেগজনক’ এবং ৪০১-৫০০ থাকলে ‘ভয়ানক’ বলে বিবেচিত হয়।
শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা
পুতিনের সম্ভাব্য সফরের কথা ঘোষণা ক্রেমলিনের
আপাতত দুটি বিমানের পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে
আমলা বদলি নিয়ে স্বস্তিতে কেন্দ্র
মহিলা সংরক্ষণ বিলে বিরোধীদের সমর্থন চান মোদি
আজকের জন্য রাজ্যসভা মুলতুবি করা হয়েছে
বিল পেশে বাধার মুখে এনডিএ সরকার
সম্রাট চৌধুরী নীতিশ কুমারের মন্ত্রিসভায় উপ মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন
ইতিমধ্যেই হরমুজে নামানো হয়েছে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে উত্তাল নয়ডা
শ্রমিকদের দাবি শোনার পরেই বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিল যোগী সরকার
এনজিওর নামে বেশকিছু নেতিবাচক তথ্য পাওয়া গেছে
প্রত্যেককে থানায় গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়