নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি - ভারতের অন্যতম সফল ওপেনার ব্যাটারের নাম আসলে উঠে আসে বীরেন্দ্র সহবাগের নাম। ১০ বছরের বেশি হল অবসর নিয়েছেন। অবসরের ১০ বছর পর এবার প্রাক্তন ভারতীয় বিবকাপজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সহবাগ। তার দাবি, অবসর নিতে বাধ্য করছিলেন ধোনি। তবে সেই সময় পাশে ছিলেন সচিন তেন্ডুলকর।
২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ত্রিদেশীয় সিরিজে ছন্দে ছিলেন না সহবাগ। পাঁচটা ম্যাচ খেলে করেন ৮১ রান। সহবাগ বলেছেন, "২০০৭-০৮ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম তিনটে ম্যাচ খেলেছিলাম। এরপর ধোনি আমাকে বাদ দেয়। বেশ কয়েকটা ম্যাচে আমাকে খেলানো হয়নি। একটা সময় মনে হল, আর বোধহয় প্রথম একাদশে রাখা হবে না।"
সহবাগ আরও বলেছেন, "সেই সময় সচিন আমার পাশে ছিল।আমি ওর কাছে গিয়ে এক দিনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার কথা বললাম। সচিন আমাকে বলে, ‘এক দম না। আমিও ১৯৯৯-২০০০ মরশুমে একই সময়ের মধ্যে দিয়ে গেছি। আমারও একই জিনিস মনে হত। তোমারও একটা কঠিন সময় যাচ্ছে, কেটেও যাবে। আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নিওনা। সময় দাও।' পরের সিরিজে আবার সুযোগ পেয়ে প্রচুর রান করেছিলাম। ফলে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাই।"
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স - ১৯৫/৬(২০)
পঞ্জাব কিংস - ১৯৮/৩(১৬.৩)
একের পর এক হারে পর্যুদস্ত নাইটদের এই অবস্থার জন্য ভুল প্লেয়ার নির্বাচনকেই দায়ী করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার
পিঠের চোট সারিয়ে তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন অরেঞ্জ আর্মি দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তারাই এবার অন্যতম দাবিদার
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কাবু প্রাক্তন অধিনায়ককে আপাতত মাঠের বাইরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা
এই বিবাদ এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে টক অফ দ্য টাউন
সেটা লুকোতে পারেননি আধুনিক ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি
পিএসজি - ২
লিভারপুল - ০
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ - ১(৩)
বার্সেলোনা - ২(০)
চেন্নাই সুপার কিংস - ১৯২/৫(২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬০/৭(২০)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ম্যাচ
মাঠের উত্তেজনার মাঝে এমন প্রশাসনিক পদক্ষেপে দুই শিবিরেই এখন অস্বস্তি তুঙ্গে
এখনও অবধি জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ - ২১৬/৬(২০)
রাজস্থান রয়্যালস - ১৫৯(১৯)
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়