নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - রোগীর মৃত্যু হলে আর্থিক বকেয়ার অজুহাতে দেহ আটকে রাখা যাবে না। কঠোর বার্তা দিল রাজ্যের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশন। সোমবার জারি হওয়া নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দেহ আটকে রাখলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে হাসপাতালের বিরুদ্ধে।
সূত্রের খবর, বেসরকারি হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভর্তি করা মানেই বিশাল অঙ্কের টাকার লেনদেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সময়ের মধ্যে সেই টাকা মেটাতে না পারলে ভোগান্তির শিকার হতে হয় সাধারণ মানুষকে। এমনকি, রোগীর মৃত্যুর পরেও মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়না। সেই বিষয়ে এবার কড়া নির্দেশ দিল স্বাস্থ্য কমিশন। নির্দেশ অনুযায়ী, রোগীর মৃত্যুর পর পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে দেহ তুলে দিতে হবে পরিবারের হাতে। এই সময়সীমা অতিক্রম করলে হাসপাতালকে তার যথাযথ কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে। কেবলমাত্র বিশেষ পরিস্থিতি যেমন - পরিবারের সদস্য ভিনরাজ্যে বা বিদেশে থাকলে পরিবারের অনুরোধে সাময়িকভাবে মর্গে দেহ রাখা যেতে পারে।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, রোগীর পরিবারের আর্থিক বকেয়া থাকলেও তার দায় চাপানো যাবে না মৃতদেহের উপর। এই বকেয়া আদায়ের দায়িত্ব নেবে কমিশন নিজেই। পরিবারকে হয়রানি করে দেহ আটকে রাখা মানবিকতার পরিপন্থী এবং আইনবিরুদ্ধ। কমিশন সতর্ক করেছে, যদি কোনও বেসরকারি হাসপাতাল বা নার্সিংহোম এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাদের লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
প্রতীক জৈনের বউ ও ভাইকে তলব করা হয়েছে
ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
মঙ্গলবার রাত ৮ টায় ভার্চুয়াল বৈঠক অভিষেকের
১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়