নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগেই বিজেপিতে মোহভঙ্গ। শক্তিবৃদ্ধি হল তৃণমূলের। ফের ঘাসফুল শিবিরে ফিরলেন সপ্তগ্রামের বিজেপি নেতা তথা প্রার্থী দেবব্রত বিশ্বাস। বহুদিন ধরেই এই জল্পনা ছিল তুঙ্গে। অবশেষে তাই সত্যি হল। প্রায় ৬ বছর পর সদলবলে তৃণমূলে ফিরে এলেন দেবব্রত।
সূত্রের খবর , রাতে সপ্তগ্রাম থেকে শ্রীরামপুরে পৌঁছান দেবব্রত। তৃণমূলে ফের যোগদান করার পর মহিলারা এলাকার মহিলাদের মধ্যে উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে। সাদা জামা পরে অনুগামীদের নিয়ে শ্রীরামপুরে গিয়েছেন তিনি। এলাকার মহিলারা ইতিমধ্যেই দেবব্রতর গুণগান করা শুরু করে দিয়েছেন। তাদের মতে রাজনৈতিক দলের থেকেও বেশি দেবব্রত বিশ্বাসের কথার দাম।

ফের ঘাসফুলে যোগ দিয়ে দেবব্রত বিশ্বাস বলেন , "বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোনও দিনই আমাকে আপন করে নেওয়া হয়নি। দলের সমস্ত কর্মসূচি থেকে আমাকে পরিকল্পিতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিছু নেতা নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য জেলায় বসে রয়েছেন।"
দেবব্রত আরও বলেন , "আমি সবসময় গরিব মানুষদের কথা ভেবেই রাজনীতিতে এসেছি। কিছু করার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনেও সেই কাজই করে যাব। যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার সার্বিক উন্নয়ন ও গরিব মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন, সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছি। সরকারের প্রকল্পগুলি গরিব মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমার লক্ষ্য। আর আমি কথা দিচ্ছি যে সেই প্রকল্পগুলি মানুষের কাছে ঠিকই পৌঁছে যাবে।

দেবব্রত বিশ্বাস বেশকিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগদান করলেন। উপস্থিত ছিলেন হুগলি-শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরিন্দম গুঁইন, চেয়ারপারসন অসীমা পাত্র, সপ্তগ্রামের বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত-সহ তৃণমূলের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য , দেবব্রত বিশ্বাস একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে সপ্তগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর ২০১৯ সালে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন। দুইবছর পর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে সপ্তগ্রাম কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তপন দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে হেরে যান।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়