নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - রাতের অন্ধকারে বুলডোজার চালিয়ে একাধিক দোকান ভাঙচুরের প্রতিবাদে ডাকা হল বনধ। ক্ষোভে ফুঁসছে ব্যবসায়ী মহল। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিষয়টি হাতিয়ার করেছে বিরোধীপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ২টা ৩০ নাগাদ ইংলিশবাজারের 'জয়লাল বিল্ডিং'-এ বুলডোজার চালিয়ে ১১টি দোকান ভেঙে ফেলা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, পূর্ব ঘোষণা বা যথাযথ নোটিশ ছাড়াই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ঘটনায় এক প্রোমোটার ও শাসক ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিবাদে জেলার ১৮৫টি ব্যবসায়ী সংগঠন 'চেম্বার অফ কমার্স' ৫ দিন ধর্নামঞ্চ চালায়। তাঁদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত, ১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা থেকে ১৭ তারিখ সকাল ৬টা পর্যন্ত জেলাজুড়ে বনধ কার্যকর হবে। এই সময় ছোট বড় সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যকলাপ ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখার ডাক দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ী সংগঠনের এক প্রতিনিধি জানান, 'প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার ব্যবসায়ীর মতামতের ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত। মুখ্যমন্ত্রী, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারকে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। রাজনৈতিক নেতার চক্রান্তের বিরুদ্ধেই এই কর্মসূচি। দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই'।
এক বিজেপি প্রতিনিধি বলেন, 'শহরজুড়ে প্রোমোটিং, জমির দালাল, প্রভাবশালী মহল সব একজোট হয়ে অন্যায় করছে। মুহূর্তের মধ্যে ১১টি পরিবারকে পথে বসিয়ে দেওয়া হল। ঘটনাস্থল থেকে থানার দূরত্ব প্রায় ২ কিলোমিটার। ২-৩ ঘণ্টা ধরে ধ্বংসলীলা চলল আর তাঁরা কিছুই জানেন না, সেটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। স্বাভাবিকভাবে শাসক দলের নেতৃত্বে, পুলিশের সহযোগিতায় মাফিয়ারা এই কাজ করেছে'।
তৃণমূলের বিধায়ক জানান, 'যা ঘটেছে তা নিন্দা করার ভাষা নেই। অভিযুক্ত যত বড়ই ব্যক্তি হোক, তাঁর কঠোরতম শাস্তি চাই। শাসক দলে যুক্ত থাকলে অপরাধ মাফ করা হবে, দলের এমন কোনও নিয়ম নেই। আমিও প্রাক্তন চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘদিন ছিলাম কিন্তু এর আগে কখনও এমন নজির দেখিনি'।
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়