নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - নিজের বিধানসভা এলাকায় হামলার শিকার বিজেপি বিধায়ক। পথ আটকে গাড়িতে হামলার করে খুনের হুমকির অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে। এরপর টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি কর্মীরা। ঘটনায় ব্যাপক রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে বাঁকুড়ায়।
সূত্রের খবর , মহেশপুর গ্রামে এক বৃদ্ধ অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে পড়ে রয়েছেন। সোমবার একটি হুইল চেয়ার এবং চিকিৎসায় সাহায্যের জন্য কিছু নগদ টাকা নিয়ে বৃদ্ধের বাড়ি গিয়েছিলেন সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। সোমবার বিকালে বাঁকুড়ার সোনামুখী এলাকার মহেশপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন দিবাকর। অভিযোগ, মহেশপুরে তাঁর গাড়ি আটকে প্রতিবাদ শুরু করে একদল। বিধায়ককে ঘিরে হঠাৎ ‘গো ব্যাক’ স্লোগান শুরু হয়। এরপর তার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। খুনের হুমকি দেওয়া হয়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিধায়ক।
ঘটনা প্রসঙ্গে দিবাকর বলেন , "সোনামুখীতে এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি কোনও দিন ছিল না। বাংলাদেশ কিংবা এ রাজ্যে মুর্শিদাবাদে যে ঘটনা ঘটেছে আজ সোনামুখীতে তার পুনরাবৃত্তি হল। আমি গ্রাম থেকে বেরোনোর আগে তৃণমূলের এক যুবনেতা আমার গাড়ির সামনে বাইক দাঁড় করিয়ে আমাকে নেমে আসতে বলেন। আমি নেমে কথা বলতে গেলে লোকজন ডেকে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করলেন। আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেন। এই হামলার নেতৃত্বে তৃণমূল। হামলাকারীদের যতক্ষণ পর্যন্ত না গ্রেফতার করা হচ্ছে, ততক্ষণ আমাদের অবরোধ চলবে।"
তৃণমূলের পক্ষ থেকে এক নেতার দাবি , "ওখানকার ভিডিও দেখলেই স্পষ্ট হবে যে মানুষ বিধায়ককে জিজ্ঞাসা করছেন, গত সাড়ে চার বছরে বিধায়ক হয়ে নিজের গ্রাম পঞ্চায়েত রাধামোহনপুর এলাকা ও মহেশপুর গ্রামের উন্নয়নের জন্য তিনি কী কাজ করেছেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন উনি। জনগণের অধিকার আছে বিধায়কের কাছে উন্নয়নের খতিয়ান জানতে চাওয়ার। বিধায়ক সেই ঘটনাকেই ‘হামলা’ বলে বাজার গরম করার চেষ্টা করছেন। তৃণমূল সবসময় মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। সেই জায়গায় হঠাৎ করে এসে জাতি ধর্মের বিভেদ দেখিয়ে কোনো কাজ না করে মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা চাইবে এমন হতে পারে না।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়