নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত পরিস্থিতির পরোক্ষ প্রভাব এবার পড়তে শুরু করেছে অন্যতম প্রধান তীর্থস্থান তারাপীঠে। বাণিজ্যিক গ্যাসের সংকটের জেরে মা তারার ভোগ প্রস্তুত এবং ভাণ্ডারার আয়োজন করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন পাচক-সহ মন্দির কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে দর্শনার্থী মহল ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রামপুরহাটের কাছে অবস্থিত তারাপীঠ অত্যন্ত পবিত্র হিন্দু তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। দেবী তারার তান্ত্রিক উপাসনাকেন্দ্র এবং সংলগ্ন শ্মশানের জন্য জায়গাটি বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। সতীপীঠ বলে খ্যাত এই স্থানে দেবী সতীর তৃতীয় নয়ন পতিত হয়েছিল বলে প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে এখানে।

মানত পূরণ অথবা বিশেষ তিথি উপলক্ষে ৫০০ থেকে ১০০০ কিংবা তারও অধিক ভক্তের জন্য অন্নসেবার আয়োজন করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ রান্নার কাজে কাঠের জ্বালানির পাশাপাশি দ্রুত প্রস্তুতির জন্য বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের সহায়তা নিতে হয়। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সরবরাহ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় সেই ধর্মীয় অনুষ্ঠান বজায় রাখা কার্যত কঠিন হয়ে উঠেছে।

মন্দিরের পাচক শুভতন মাজি বলেন, 'প্রতিদিন মায়ের উদ্দেশ্যে পাঁচ ধরনের ভাজা, চাটনি, পায়েস ও পোলাও প্রস্তুত হয়। সেই সব পদ সাধারণত কাঠের আগুনেই তৈরি করা হয়। তবে ভাণ্ডারার বড় আয়োজন সম্পন্ন করতে গ্যাসের প্রয়োজন পড়ে। এখন ব্যবসায়ীরা কেউ ১৪০০, কেউ ১৫০০ আবার কেউ ১৭০০ টাকায় সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হলেই সবার স্বস্তি ফিরবে'।
মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় জানান, 'অনেকেই দুই মাস আগে থেকেই ভাণ্ডারার তারিখ নির্ধারণ করে রাখেন। সেই অনুযায়ী সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়। দেবীর নিজস্ব ভোগ সাধারণত কাঠের জ্বালানিতেই সম্পন্ন হলেও, ভক্তদের এই বিশাল আয়োজনে গ্যাস অপরিহার্য হয়ে ওঠে। সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়ায় এখন পুরো ব্যবস্থাপনাই অনিশ্চয়তার মুখে। একসঙ্গে এত কাঠ সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে'।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, 'এই ভোগ ও ভাণ্ডারার সঙ্গে বহু মানুষের জীবিকা জড়িয়ে রয়েছে। রান্নার কর্মী থেকে শুরু করে বাজারের বিক্রেতা- সকলেই বর্তমানে এই সংকটের কারণে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে তীর্থকেন্দ্রের ধর্মীয় ঐতিহ্যের পাশাপাশি পর্যটন, আবাসন ব্যবসাতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়