নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর দিনাজপুর - মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভোটের মধ্যেই চোপড়ায় উত্তেজনার আঁচ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘অতি সক্রিয়তা’ এবং মারধরের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ভোটের দিনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে চোপড়ার মোহনগছ প্রাথমিক স্কুলের ১৬২ নম্বর বুথে। অভিযোগ, ভোট দিতে গিয়ে এক বৃদ্ধা ঝারিমন নিসা এবং তার ভাইপো কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের হাতে হেনস্তার শিকার হন। স্থানীয়দের দাবি, তাদের নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, জওয়ানরা তাদের ওপর চড়াও হয়ে মারধর করেন। লাঠির আঘাতে বৃদ্ধার মাথায় চোট লাগে এবং তাকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বৃদ্ধার অভিযোগ, ' আমি ভোট দিতে এসেছিলাম। আমাকে ওই জওয়ানরা বলছিলেন বিজেপিকে ভোট দিতে। আমি বলেছি, নিজের ইচ্ছায় ভোট দেব। এর পরে আমায় লাঠি দিয়ে মেরেছে।'
সন্ধ্যা ৬ টার পরেও ভোটারদের লাইনে দেখা যায়
আসানসোল উত্তর বিধানসভার একটি বুথে ভোট দিলেন তিনি
অফিসারদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ কমিশনের
যদিও এই বিষয়ে ঘাসফুল শিবিরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রক্ষক নিজেই আহত
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির
বিকেল ৫ টায় ভোট দেবেন নন্দলাল বসুর নাতি ও তার স্ত্রী
ভোটের দিনেই এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে
প্রকৃত সত্য ব্যাখ্যা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন তিনি
ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়
এই পরিস্থিতিতে এলাকায় সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন এই বর্ষীয়ান নেতা
তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
বিকেল ৪টের পর থেকে সক্রিয় হতে পারে দুষ্কৃতীরা
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির