নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - ভোটের দিনেই তৈরি হল চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিজেপি কর্মীকে ধমক দেওয়ার অভিযোগে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস থেকে আটক করা হল অঞ্চল চেয়ারম্যানকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির।
বৃহস্পতিবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোর থেকেই সংশ্লিষ্ট মহকুমার বিভিন্ন কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে ভোটারদের লম্বা লাইন। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উৎসবের মেজাজ ধরা পড়লেও পুলিশের কড়া আচরণে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। এই আবহেই দিনহাটা থানার আইসি নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছে জমায়েত হঠিয়ে দেন। অভিযোগ, এরপর তিনি তৃণমূলের অঞ্চল চেয়ারম্যান সামেদুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া জানান, 'সকাল থেকে এখানে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। মানুষ নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছিলেন। কিন্তু আইসি ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের কর্মীদের ভয় দেখাচ্ছেন। আমি আসার পর আমার সঙ্গে কথা বলে তিনি চলে গেলেও, পুনরায় ফিরে এসে দুজনকে তুলে নিয়ে গিয়েছেন। পুলিশ পরিকল্পিতভাবে বিজেপির এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে'।
সন্ধ্যা ৬ টার পরেও ভোটারদের লাইনে দেখা যায়
আসানসোল উত্তর বিধানসভার একটি বুথে ভোট দিলেন তিনি
প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ জওয়ানের বিরুদ্ধে
অফিসারদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ কমিশনের
যদিও এই বিষয়ে ঘাসফুল শিবিরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রক্ষক নিজেই আহত
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির
বিকেল ৫ টায় ভোট দেবেন নন্দলাল বসুর নাতি ও তার স্ত্রী
ভোটের দিনেই এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে
প্রকৃত সত্য ব্যাখ্যা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন তিনি
ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়
এই পরিস্থিতিতে এলাকায় সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন এই বর্ষীয়ান নেতা
তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
বিকেল ৪টের পর থেকে সক্রিয় হতে পারে দুষ্কৃতীরা
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির