নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী আবহে ফের রক্তাক্ত চিত্র সামনে এল। রাজনৈতিক সংঘর্ষের মাঝে এবার আক্রমণের মুখে পড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। যা ঘিরে উদ্বেগ আরও গভীর হল প্রশাসনিক মহলে। নির্বাচনের দিনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর হামলার এই ঘটনা ভোটের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।
প্রথম দফার ভোট চলাকালীন বীরভূমের দুবরাজপুরে হঠাৎই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। আচমকা ইটবৃষ্টি শুরু হয়, যার জেরে সিআরপিএফের অন্তত ৬ জন জওয়ান আহত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানা গেছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভর করেছিল নির্বাচন কমিশন।
ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি, তৃণমূল কংগ্রেস এবং সিপিএম কর্মীদের আহত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। তারই মধ্যে বাহিনীর ওপর এই হামলা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
সন্ধ্যা ৬ টার পরেও ভোটারদের লাইনে দেখা যায়
আসানসোল উত্তর বিধানসভার একটি বুথে ভোট দিলেন তিনি
প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ জওয়ানের বিরুদ্ধে
অফিসারদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ কমিশনের
যদিও এই বিষয়ে ঘাসফুল শিবিরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির
বিকেল ৫ টায় ভোট দেবেন নন্দলাল বসুর নাতি ও তার স্ত্রী
ভোটের দিনেই এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে
প্রকৃত সত্য ব্যাখ্যা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন তিনি
ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়
এই পরিস্থিতিতে এলাকায় সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন এই বর্ষীয়ান নেতা
তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
বিকেল ৪টের পর থেকে সক্রিয় হতে পারে দুষ্কৃতীরা
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির