নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - ভোটের দিনেই বিজেপির বুথ এজেন্টকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সিতাই এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। যদিও এই বিষয়ে ঘাসফুল শিবিরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ৬/২৭০ নম্বর বুথের দায়িত্বে ছিলেন জাহানুর ইসলাম। এদিন খাবার খাওয়ার জন্য তিনি দুপুর নাগাদ বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন। অভিযোগ, সেই সময় প্রায় ৫০-৬০ জন শাসকদলের কর্মী তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে।
শুধু তাই নয়, আক্রান্তকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাতে আঘাত করা হয়। এরপর প্রাণে মারার চেষ্টাও করা হয় বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। এমনকি ওই কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করারও অভিযোগ উঠেছে। এই আবহেই জখম ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় জওয়ানরা। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে কড়া পুলিশি টহল শুরু হয়েছে।
সন্ধ্যা ৬ টার পরেও ভোটারদের লাইনে দেখা যায়
আসানসোল উত্তর বিধানসভার একটি বুথে ভোট দিলেন তিনি
প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ জওয়ানের বিরুদ্ধে
অফিসারদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ কমিশনের
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রক্ষক নিজেই আহত
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির
বিকেল ৫ টায় ভোট দেবেন নন্দলাল বসুর নাতি ও তার স্ত্রী
ভোটের দিনেই এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে
প্রকৃত সত্য ব্যাখ্যা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন তিনি
ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়
এই পরিস্থিতিতে এলাকায় সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন এই বর্ষীয়ান নেতা
তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
বিকেল ৪টের পর থেকে সক্রিয় হতে পারে দুষ্কৃতীরা
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির