নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের যুব কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠল বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনহাটায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। যদিও গেরুয়া শিবির বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার বাসিন্দা সায়ন চক্রবর্তী একজন সক্রিয় যুব তৃণমূল নেতা। অভিযোগ, রবিবার সন্ধ্যায় বাজার থেকে ফেরার পথে অতর্কিতে তাঁকে লক্ষ্য করে কোমরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারা হয়। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি সেখানেই লুটিয়ে পড়লে আশপাশের মানুষজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

জখম নেতার দাবি, বিজেপি নেতা দীপেন চক্রবর্তী, তাঁর শ্যালক দ্বীপ দেবনাথ ও প্রদীপ বর্মন এই হামলার নেপথ্যে রয়েছেন। তাঁর কথায়, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী হওয়াতেই তাঁকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত প্রতিটি রাজনৈতিক দল। কিন্তু ভোটের আবহে এমন রক্তক্ষয়ী সংঘাত এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে।
সায়ন চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি যখন বাড়িতে ফিরছিলাম, তখন বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। স্রেফ ঘাসফুল শিবিরের সক্রিয় কর্মী হওয়ার কারণেই এই আক্রোশ। খুনের উদ্দেশ্যেই ঘর থেকে তলোয়ার বের করে আনা হয়েছিল। ভবিষ্যতে আমার কোনও ক্ষতি হলে এই নির্দিষ্ট ব্যক্তিরাই তার জন্য দায়ী থাকবেন'।
অন্যদিকে বিজেপির এক প্রতিনিধি জানান, ‘এই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর কড়া বিধিনিষেধ রয়েছে এখানে বিজেপির কোনও কর্মকাণ্ড চলবে না। আসলে এটি শাসক শিবিরের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। আসন্ন নির্বাচনে মন্ত্রীর সুনজরে আসার প্রতিযোগিতা। পাশাপাশি আর্থিক সুবিধা লাভের লড়াইয়ে তাঁদের অন্দরেই বোমা-বন্দুকের রাজনীতি চলছে। আগামী ভোটে শুধু এই অঞ্চল নয়, পুরো রাজ্য থেকেই শাসক দল বিদায় নেবে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়