নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - নির্বাচনী আবহে তৃণমূল-সহ বিজেপির ব্যানার-ফেস্টুন ছেঁড়ার পাশাপাশি দেওয়াল লিখন বিকৃত করার অভিযোগ উঠল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে শান্তিপুর বিধানসভা এলাকায় তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এর নেপথ্যে বড়সড় চক্রের যোগ থাকার দাবি করছে দুই পক্ষই। ইতিমধ্যেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামনে বিধানসভা ভোট। তাই প্রচার ঘিরে এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী ও বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাসের সমর্থনে একাধিক পোস্টার এবং দেওয়াল লিখন করা হয়। আচমকাই শনিবার সকালে উভয় শিবিরের কর্মীদের নজরে আসে, তাঁদের বেশ কয়েকটি পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং দেওয়াল লেখা কাদা মেখে বিকৃত করা হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। তাঁদের আশঙ্কা, এর পেছনে নতুন কোনো চক্রান্ত রয়েছে।

অভিযোগ, স্থিতিশীল পরিবেশ নষ্ট করতেই রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা এমন কুরুচিকর কাজ চালিয়েছে। প্রতিবাদে সরব হন স্থানীয় নেতৃত্ব। তাঁদের মতে, এই ধরনের অশোভন আচরণ কোনো দলের ক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এমন কাজ করছে, সময়মতো সাধারণ মানুষই তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে। তবে আপাতত তাঁরা সরাসরি সংঘাতে না জড়িয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার পথ বেছে নিয়েছেন।
১৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দীপঙ্কর সাহা জানান, ‘ভারতবর্ষ একটি রাজনৈতিক দেশ। প্রত্যেকটি দলের নিজস্ব মতাদর্শ রয়েছে। এই ধরনের কাজ সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অজয় দের নেতৃত্বে রাজনীতি করি, কারো ব্যানার ছেঁড়ার সংস্কৃতি আমাদের নয়। বামেদের আমলে কিছুদিন পরপর বোমা পড়ত। তারপর আমরা এসে এখানে শান্তি ফিরিয়েছি। শান্তিপুর সম্প্রীতির শহর, যারা অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষ তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে'।
বিজেপি কর্মী বাপী কর জানান, ‘যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা গুরুতর অন্যায় করেছে। আমাদের ধারণা কিছু বহিরাগত রাতের অন্ধকারে এই ধরণের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আমরা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি, দোষীদের যেন কঠোর শাস্তি হয়'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়