নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে বহিষ্কার করা হল বিজেপি নেতাকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শান্তিপুর ব্লকের বেলঘড়িয়া অঞ্চলে। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর, আর বিষয়টিকে হাতিয়ার করেছে শাসক শিবির।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত গেরুয়া শিবির। সম্প্রতি ব্রিগেড ময়দানের সভা থেকে সেই বার্তাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে ভোটের আবহে শান্তিপুর ব্লকে সংগঠনের অন্দরের বিরোধ সামনে আসায় অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রের দাবি, গবারচর এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য ও মণ্ডল সভাপতি গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়। ১০ মার্চ নোটিশ দিয়ে ৭ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই ১৩ তারিখ দলীয় সিদ্ধান্তে তাঁকে বহিষ্কার করা হয় বলে জানা যায়। যদিও বহিষ্কৃত নেতার দাবি, ভোটে জিতে তিনি পঞ্চায়েত সদস্য হন। প্রায় ৬ মাস আগে তাঁকে মণ্ডল সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। সংগঠনের নির্দেশ মেনেই তিনি কাজ করে আসছিলেন।
তবে কিছুদিন পর থেকেই দলের একটি অংশ তাঁর সঙ্গে অসহযোগিতা করতে শুরু করে। পাশাপাশি প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়া হচ্ছিল না বলেও অভিযোগ করেন গৌরাঙ্গ বিশ্বাস। বিষয়টি তিনি জেলা সভাপতি-সহ শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে একাধিকবার জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সমস্যার কোনও সমাধান মেলেনি বলে দাবি ওঠে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, দলের একটি অংশ সংগঠনের বৈঠক কিংবা মিছিলের মতো কর্মসূচিতেও সক্রিয় থাকে না, বরং অন্য কর্মীদের অংশগ্রহণে বাধা দেয়।
গৌরাঙ্গ বিশ্বাস জানান, 'গত ২২ ফেব্রুয়ারি দলীয় কর্মীদের নিয়ে একটি সাধারণ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে নির্বাচনী কমিটি তৈরির সময় কয়েকটি নাম ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই কারণে বৈঠক শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। আমি বলেছিলাম মণ্ডল স্তরে সিনিয়র ও জুনিয়র সমস্ত কর্মকর্তাকে জানিয়েই নির্বাচনী তালিকা তৈরি করা উচিত ছিল। এরপর থেকেই সমস্যা বাড়তে থাকে। তবে এই ঘটনার প্রভাব আসন্ন ভোটেও পড়বে'।
এদিকে ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণপদ রাহা বলেন, 'ওনার বাড়িতে সাংবাদিকদের যেতে দেখে ভেবেছিলাম কোনও বড় ঘটনা ঘটেছে। শুধু শান্তিপুর নয়, গোটা রাজ্যেই বিজেপি অগণতান্ত্রিক আচরণ করছে। ভোট এলেই সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের অর্থে নির্বাচন করে। দিলীপ ঘোষ থেকে সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী-সবাই একই রকম। আমার ধারণা, দলের ভেতরে টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই এই ঘটনা সামনে এসেছে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়