নিজস্ব প্রতিনিধি , মুর্শিদাবাদ - বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় রাজনৈতিক মোড়। হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে স্টিং বিতর্কের জেরে তার সঙ্গে জোট ভেঙে দিল AIMIM। দলের প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি ঘোষণা করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে তারা একাই লড়বেন।
তৃণমূলের প্রকাশিত একটি স্টিং ভিডিও সামনে আসার পরই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ওই ভিডিওতে হুমায়ুন কবীরের কিছু মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে। যদিও হুমায়ুন কবীর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবুও পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়। এই প্রেক্ষাপটে আসাদউদ্দিন ওয়েইসি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়ে দেন, এই ধরনের মন্তব্য মুসলিম সমাজের ভাবমূর্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতার উপর আঘাত হানে।
ফলে তার দল এমন কোনও বিতর্কিত অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চায় না। সেই কারণেই AIMIM আনুষ্ঠানিকভাবে হুমায়ুন কবীরের দলের সঙ্গে জোট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওয়েইসি আরও জানান, বাংলার মুসলিম সমাজ দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলিত ও প্রান্তিক অবস্থায় রয়েছে। তাদের জন্য একটি স্বাধীন রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর গড়ে তুলতেই AIMIM নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই এবারের নির্বাচনে কোনও জোট নয়, বরং স্বতন্ত্রভাবেই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়