নিজস্ব প্রতিনিধি , জলপাইগুড়ি - রাজ্য জুড়ে SIR ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই অবৈধ বাংলাদেশী ভোটারের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। এমনকি বিভিন্ন এলাকা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষের সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার ছবিও দেখা গেছে। এবার তারই প্রতিফলন ধরা পড়লো দক্ষিণবঙ্গের পর উত্তরবঙ্গের কিছু জায়গায়। রাস্তার পার থেকে হটে যেতে বাধ্য হচ্ছে অবৈধ দখলদারীরা, যার ফলে উত্তরবঙ্গের ব্যবসায় দিনের পর দিন ভাটা পড়ছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক শহরের মতো শিলিগুড়ির বাজারেও আর লোকসমাগম তেমন চোখে পড়ছে না। কারণ, SIR শুরু হওয়ার পর থেকে ভিন রাজ্য সহ অবৈধভাবে থাকা বাসিন্দাদের সংখ্যা ক্রমেই কমতে শুরু করেছে এবং সংকটে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের একাধিক ব্যবসায়ী।

স্থানীয় সূত্রের খবর , একসময়ে শিলিগুড়ির প্রাণকেন্দ্র হকার্স কর্নার বা বিধান মার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত ধরে প্রায় ১,৫০০ থেকে ২,০০০-এর কাছাকাছি ছোট-বড় দোকান বা অস্থায়ী স্টল বসত। এলাকাগুলিতে প্রতিদিন গড়ে ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ মানুষের আনাগোনা থাকত। মূলত এই অস্থায়ী দোকানগুলির ক্রেতারাই ছিলেন সেই সংখ্যায় বেশি। কিন্তু SIR এবং প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে সেই অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ শুরু হতেই বাজারের লোকসমাগম প্রায় ৩০% থেকে ৪০% কমে গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।শিলিগুড়ির সেবক রোড বা মহাবীর স্থান-এর মতো এলাকাতেও একই ছবি। ফুটপাতে বসা ছোটখাটো খাবারের দোকান বা পসরা নিয়ে যাঁরা বসতেন, তাঁদের অনেকেই এখন আর আসছেন না। এর ফলে, ফুটপাতের দোকানগুলি থেকে দৈনিক গড়ে যে ৫-৭ লক্ষ টাকার ব্যবসা হত, তা এখন ২-৩ লক্ষ টাকায় নেমে এসেছে।
এক স্থানীয় চায়ের দোকানদার গৌতম ঘোষ জানান, "চায়ের দোকান থেকে রাস্তার অন্যান্য খাবারের দোকান এস আই আর হওয়ার কারণে ব্যবসা একেবারেই কমে গেছে। তবুও সকলের একটাই মতামত যা হচ্ছে ভালোই হচ্ছে। তিনি জানালেন এটা হওয়া দরকার ছিল।" SIR-এর ফলে উত্তরবঙ্গের বাজারে এই আকস্মিক মন্দা সাময়িক হলেও, প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অনেকে দীর্ঘমেয়াদে স্বচ্ছতা এবং স্থানীয়দের জন্য ব্যবসার পরিবেশ তৈরির জন্য ইতিবাচক বলে মনে করছেন।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর