নিজস্ব প্রতিনিধি ,মালদহ - রাজ্যজুড়ে চলছে SIR প্রক্রিয়া।ফর্ম পূরণের জন্য বহু মানুষের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ।তবে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে বেশিরভাগ গ্রামীণ মানুষদের। তাই বিনামূল্যে ফর্ম পূরণ করতে ব্যস্ত পঞ্চায়েত সদস্য। পঞ্চায়েত সদস্যের এই পরিষেবা পেয়ে খুশি এলাকার মানুষজন।
স্থানীয় সূত্রের খবর , SIR ফর্ম পূরণ করার জন্য হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের ধুমসাডাঙ্গা গ্রামে নেই কোনও শিক্ষিত মানুষ।এই গ্রামে প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের বসবাস।হতদরিদ্র পরিবারগুলোর নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা।কেউ ভিন রাজ্যে আবার কেউ এলাকায় দিনমজুরি করে সংসার চালান।অর্থাভাবে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করাতে পারেন না।তাই এই গ্রামের ফর্ম পূরণ করার জন্য একমাত্র ভরসা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য বিজয় মিশ্র হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার একমাত্র শিক্ষিত যুবক। তিনি মোট ৭৫০ টি SIR ফর্ম একাই পূরণ করছেন। তাতে গ্রামের বহু মানুষ স্বস্তি লাভ করেছে।
হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য বিজয় মিশর জানিয়েছেন ,"এই গ্রামে শিক্ষিত বলতে আমি একাই।তাই ফর্ম পূরণ করার শুরুর দিন সকাল থেকে থেকে রাত অবধি কখনো বাড়ি গিয়ে ,আবার কখনো নিজের বাড়িতে থেকে মোট ৭৫০ জন মানুষের ফর্ম ফিল আপ করেছি।পেটের দায়ে এখানে মানুষ পড়াশোনা করতে পারে না,তাই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি ।এখানের ছেলে - মেয়েদের পড়াশোনার জন্যেও উদ্যোগ নিয়েছি তবে একার পক্ষে সব দিক সামলে উঠতে পারছি না।"
ধুমসাডাঙ্গা গ্রামের এক বাসিন্দা চঞ্চলা দাস জানিয়েছেন,"আমাদের গ্রামে যেহেতু পড়াশোনা নেই তাই এই পঞ্চায়েত সদস্যই আমাদের ভরসা। আমার একটা ছেলে ও দুটো মেয়ে রয়েছে ,গরিব হওয়ার কারণে কোনো সন্তানই পড়াশোনা শিখতে পারেনি।পড়াশোনা করতে গেলে অনেক টাকার দরকার তাই পড়ানো সম্ভব নয়।তাই সবাই মূর্খ থেকে গেছে।কিন্তু এই মেম্বার আমাদের জন্য জানে-পরাণে করছে।"
ধুমসাডাঙ্গা গ্রামের আরও এক বাসিন্দা নন্দ রবি দাস জানিয়েছেন,"মেম্বারই আমাদের একমাত্র ভরসা। গ্রামের কোনো মানুষ পড়ালেখা না জানায় তিনি সকাল থেকে রাত অবধি আমাদের ফর্ম পূরণে ব্যস্ত।শুধু তাই নয় গ্রামের যে কোনো কাজেই আমরা মেম্বারকে ভরসা করি,তিনি আমাদের সব সমস্যায় ঝাঁপিয়ে পরেন।"
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর