নিজস্ব প্রতিনিধি, নদীয়া – রাতে প্রেমিককে ডেকে পাঠিয়েছিল প্রেমিকাকে। গিয়েছিল প্রেমিক। কিন্তু সেই যাওয়াই জীবনের শেষ যাওয়া হল। সকালে প্রেমিকার বাড়ির পাশে প্রেমিকের নিথর দেহ উদ্ধার হল। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নদীয়ায়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের।
সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গেদে এলাকায়। মৃত যুবকের নাম সৌরভ হালদার। শনিবার রাতে সৌরভকে ফোন করে ডেকে পাঠায় প্রেমিকা প্রেমা হালদার। সৌরভের পরিবারের অভিযোগ, ছেলে আর বাড়ি ফেরেনি। পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে প্রেমা হালদারের পরিবার। স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরে গেদে হালদারপাড়া বাড়ি অনুপ হালদারের মেয়ে প্রেমা হালদারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সৌরভ হালদারের।
মৃতের বোন সঙ্গীতা হালদারের অভিযোগ, “আমার দাদাকে অনুপরা মেরেছে। এক বান্ধবীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। অনেক দিনের সম্পর্ক ছিল। রাতে ডেকেছিল, তাই গিয়েছিল। ওখানেই ওকে প্ল্য়ান করে মেরে ফেলে দিয়েছিল।“ খবর পেয়েই সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর