নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - মানুষের মতো গাছেরও যে চিকিৎসার প্রয়োজন, তা আবারও প্রমাণ করল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা 'ট্রী কেয়ার ইউনিট'। গতরাতের প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে প্রাকৃতিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর তাদের এই অনন্য মানবিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে মাথাভাঙা শহরজুড়ে খুশির হাওয়া। এই প্রয়াস দেখিয়ে দিল, সচেতনতা ও সম্মিলিত সংকল্প থাকলে সবুজকে রক্ষা করা সম্ভব, যা ভবিষ্যতে একটি সুস্থ পরিবেশ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , বেশ কিছুদিন ধরে বিকেল হলেই বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় কালবৈশাখীর ব্যাপক তাণ্ডব। তেমনই সোমবার রাতের দুর্যোগে মাথাভাঙা শহরের বহু প্রাচীন ও নতুন বৃক্ষের ডাল ভেঙে পড়ে, অনেক গাছ হেলে যায়। মঙ্গলবার সকালে সংস্থার সদস্যরা তাঁদের বিশেষ 'ট্রী অ্যাম্বুলেন্স' নিয়ে বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যান। ভাঙা অংশ পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে বিপন্ন চারাগুলোকে বিশেষ পদ্ধতিতে সোজা করে নতুন প্রাণ দেওয়ার চেষ্টা চালান তাঁরা।

এই মহৎ কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে হাত লাগাতে দেখা যায় সাধারণ জনতাকে। আরও উল্লেখযোগ্যভাবে, অরণ্য রক্ষায় এই অভিযানে সামিল হয়েছিলেন পৌরপিতা প্রবীর কুমার সরকার। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে পরিচর্যার কাজে ঘাম ঝরান এবং কর্মীদের উৎসাহিত করেন। এই দৃশ্য দেখে এলাকার এক পথচারী বৃদ্ধও এগিয়ে এসে নিজের সামর্থ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
সংস্থার সদস্য প্রদ্যুৎ কুমার সাহা বলেন, 'আমরা শুধু চারা রোপণ করি না, তাদের বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও নিই। আজ আমাদের কর্মতৎপরতা দেখে এক পথচারী বৃদ্ধ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসে অনুদান দিয়েছেন- এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। গাছ শুধু প্রকৃতির অংশ নয়, তারা আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী'।
প্রবীর কুমার সরকার জানান, 'সবুজ শুধু রোপণ করলেই হবে না, তার যত্ন নেওয়াও নাগরিক কর্তব্য। সবাই এগিয়ে আসুন, এই আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করে তুলুন। আজকের এই কর্মযজ্ঞ শুধু উদ্ভিদ বাঁচানোর লড়াই নয়, বরং এক সুন্দর আগামীর প্রতিশ্রুতি'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়