নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - ভ্রান্ত ধারণার বশে গভীর রাতে বৌমা, তাঁর মাকে খুন করল শ্বশুর। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রানাঘাটের আশুতোষপুর গ্রামে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ অভিযুক্ত অনন্ত বিশ্বাসকে (৭৫) আটক করে। দেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার দিন আগে অনন্ত বিশ্বাসের স্ত্রী মারা যান। বাড়িতে এক শিশু থাকায় অভিযুক্তের ছেলে প্রতীত পবন বিশ্বাসের শাশুড়ি স্বপ্না মণ্ডল কয়েকদিনের জন্য সেখানে আসেন। এরপর থেকেই অনন্ত বিশ্বাসের মনে সন্দেহ জন্মায় যে পুত্রবধূ শিল্পা বিশ্বাস, তাঁর মা কালোজাদুর মাধ্যমে পরিবারের ক্ষতি করতে চাইছে।

সোমবার রাত আনুমানিক ৩টে নাগাদ প্রতীত পবন ফুল বিক্রি করতে বাজারে যান। সেই সুযোগেই সন্দেহের বশে কুড়ুল দিয়ে পাশের ঘরে শুয়ে থাকা বৌমা, তাঁর মায়ের ওপর একের পর এক এলোপাতাড়ি কোপ বসান অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু হয়।
অভিযুক্তের ছেলে জানান, 'ভোরবেলা বাড়ি ফিরে দেখি কুড়ুল আর চারদিকে রক্ত ছড়ানো। বাবাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান দু'জনকে হত্যা করেছেন। ছুটে গিয়ে ঘরে দেখি সব শেষ। বাবার মনে ভুল ধারণা ছিল যে ওরা আমাদের ক্ষতি করবে। বহুবার বুঝিয়েছিলাম। এছাড়া অন্য কোনও সমস্যা ছিল না। কিন্তু এমন করবে কখনও ভাবিনি'।
এলাকার জনপ্রতিনিধি পূর্ণিমা বিশ্বাস জানান, 'ভোরবেলা সবার চিৎকার শুনে এখানে এসে সব জানতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে থানায়, পঞ্চায়েত প্রধানকে জানিয়েছি। পুলিশ এসে তদন্ত শুরু করেছে। সব প্রমাণ সংগ্রহ করে নিয়ে গেছেন। ওনারা মানুষের সঙ্গে একটু কম মিশতেন। তবে মাথার সমস্যা ছিল কখনো শোনা যায়নি। কারণ যাই হোক, এই কাজ অন্যায়'।
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর