নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - একাধিক দেবী মূর্তি ভাঙার ঘটনায় অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল মূল অভিযুক্তরা। দুই ভাই অমিত দে, অসিত দে। বাড়ি শান্তিপুর থানার অন্তর্গত সর্বনন্দীপাড়া অঞ্চলে। ঘটনায় চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , ৫ তারিখ রাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে পাড়ার লোকনাথ মন্দিরের কাছে অমিতের বচসা হয় এলাকার মৃৎশিল্পী পলাশ দাস, তাঁর দুই বন্ধুর সঙ্গে। বাড়ি ফিরে ভাইকে বিষয়টি জানালে দুজন মিলে শিল্পীর কারখানায় প্রবেশ করে।

সেখানে তাঁরা প্রায় ৬০-৭০টি মূর্তি ভেঙে ফেলে। কিছু মূর্তি দুমড়ে-মুচড়ে যায়, আবার কোনটি মাটিতে আছড়ে দেওয়া হয়। খবর প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচ দিনের তদন্তের পর অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার তাঁদের রানাঘাট আদালতে পেশ করা হয়।
ঘটনা প্রসঙ্গ অভিযুক্ত অমিত দে জানান, 'পলাশ বাবা-মা টেনে আজেবাজে কথা বলেছিল। তাই মদ্যপ অবস্থায় রাগের বশে এই কাজ করেছি। হিন্দু হয়ে যা করেছি, তার জন্য লজ্জিত। ভবিষ্যতে এই ধরনের ভুল আর হবে না'।
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর