নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - ভোটের আবহে প্রশাসনিক রদবদল ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। কমিশনের একের পর এক অফিসার বদলের পদক্ষেপে এবার ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অভিযোগ, বাংলাকে টার্গেট করে ‘অতিসক্রিয়তা’ দেখাচ্ছে কমিশন, যা আসলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপেরই ইঙ্গিত।
পাঁচ রাজ্যে ভোট ঘোষণা হতেই নিয়মমাফিক প্রশাসনিক স্তরে বদলির প্রক্রিয়া শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। তবে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গেই। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, সিপি-সহ একাধিক শীর্ষ পদে থাকা আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকদের রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বুধবার রাতেও ১৩ জন আইপিএস অফিসারকে ভিনরাজ্যে অবজার্ভার করা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গকে যেভাবে টার্গেট করে এখানকার অফিসারদের বদলি করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগের। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে ডিজিপি, আইজিপি-সহ পুলিশ প্রশাসনের অন্তত ৫০ জন সিনিয়র অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া জেলাশাসক, এসপি-দেরও অন্যত্র পাঠিয়ে দিয়েছে। এগুলো নিছক প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, সর্বোচ্চ স্তরের নির্দেশে আসলে এগুলো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।
বিজেপিকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রীর আরও বলেন, ' বেছে বেছে বাংলার মানুষকেই কেন টার্গেট করা হচ্ছে? এত প্রতিহিংসা কিসের? বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে কিসের সন্তোষ?এখানকার মাটিকে কোনওভাবেই ঘৃণা দিয়ে জেতা যাবে না। যারা এটা করতে আসবে, তারাই হেরে ফিরে যাবে।' মমতার স্পষ্ট বক্তব্য, বাংলার প্রতি কমিশনের এই অতিসক্রিয়তা প্রমাণ করে দিচ্ছে যে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।
"আমি নিজে লোগো এঁকেছিলাম, আমার উপর রাগ থাকতেই পারে, কিন্তু শিল্পকেই কেন ভাঙা হল?" সল্টলেক স্টেডিয়ামের সামনে ভাস্কর্য ভাঙার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর
আইএসএলে যোগ্যতা অর্জনের পর দেরিতে প্রতিক্রিয়া, রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে উঠছে ভবিষ্যৎ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন
দক্ষিণ দমদম পুরসভা কেন্দ্র করে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নতুন মোড়। ইডির দাবি, ‘কাউন্সিলার কোটা’ নামে এক অবৈধ সুপারিশ ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিপুল অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হত, আর এই পুরো চক্রের নেপথ্যে ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু।
কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় আনা হয়েছিল তিন তরুণীকে। অভিযোগ, পরে তাঁদের যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেয় একটি চক্র। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালবাজার গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে উদ্ধার করা হয় তাঁদের। ঘটনায় গ্রেফতার এক মহিলা, তদন্তে নেমেছে পুলিশ ও যোগাযোগ করা হয়েছে নেপাল দূতাবাসের সঙ্গে।
বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট, কমতে পারে তাপমাত্রাও
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...