নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাল পড়ুয়ারা। পারুলডাঙা শিক্ষা নিকেতন আশ্রম কন্যা বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শান্তিনিকেতনে। যদিও বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষিকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়টি শুধুমাত্র ছাত্রীদের জন্য পরিচালিত। সম্প্রতি পড়ুয়া, অভিভাবকসহ অন্যান্য শিক্ষিকারা প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, বিদ্যালয়ে মাত্র ১টি শৌচালয় রয়েছে, যা অধিকাংশ সময়ই বন্ধ থাকে। পানীয় জলের একমাত্র কলটি নোংরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এছাড়াও মিড ডে মিলে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

আরও অভিযোগ, সরকারি বিনামূল্যে দেওয়া স্যানিটারি ন্যাপকিন ১০ টাকা দিয়ে কিনতে বাধ্য করা হয়। একাধিকবার বিষয়গুলি জানানো সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষিকার তরফে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এই সমস্ত অভিযোগের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ উত্তাল হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের একটাই দাবি - প্রধান শিক্ষিকা লিপিকা সামন্তকে অবিলম্বে অন্যত্র স্থানান্তর করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে এক ছাত্রী জানায়, 'মাসে মাত্র একদিন ডিম দেওয়া হয়, তাও আবার যেদিন কম মেয়ে আসে। অন্যান্য সময় আলুর তরকারি দেওয়া হয়। একবার আমি ভাতে মাকড়সার জাল দেখতে পাই। দিদিদের জানালে বলা হয় সেটা সরিয়ে নিয়ে নিতে। এভাবে চলতে পারে না। আমরা চাই পানীয় জল, শৌচাগার, খাবারের ব্যবস্থা ঠিক করা হোক'।
শিক্ষিকা কমলিকা সাহা জানান, 'উনি ৬ বছর ধরে এখানে কর্মরত। তখন থেকেই দুর্নীতি করে স্কুলটাকে শেষ করে দিচ্ছেন। ক্লাসে মেয়েরা আমাদের কাছে অভিযোগ করে। এই নিয়ে বহুবার আমাদের সকলের সঙ্গে ওনার কথা কাটাকাটি হয়েছে। আগেও সংবাদমাধ্যম এসেছে। কিন্তু উনি মিথ্যে বলে গিয়েছেন। বাধ্য হয়ে এসআই, ডিআই এমনকি পর্ষদকেও চিঠি লিখেছি আমরা'।
অন্যদিকে প্রধান শিক্ষিকা বলেন, 'বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো অনুযায়ী আমাকে চলতে হবে। সরকারি স্তরে আবেদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন এলে আমি ব্যবস্থা করতে পারব। রাতে শৌচাগার খোলা থাকলে কল কিংবা বালতি ভেঙে দেওয়া হয়। তাই বাচ্চাদের চাবি ব্যবহার করতে বলা হয়। এইসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। নতুন রুটিন নিয়ে অসন্তোষ থেকেই এই চক্রান্ত'।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর