নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - সংসারের অভাব মেটাতে পেটের দায়ে রাজস্থানে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন এক যুবক। বেশ কয়েকমাস কাজের পর বাড়িতে ফেরার পথেই পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তার। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। খুনের অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর , মৃতের নাম সুকল টুডু। বয়স আনুমানিক ২৬ বছর।বাড়ি বীরভূমের লাভপুরের চৌহাট্টা এলাকার সুবলপুর গ্রামের। কাজের অভাবে দীর্ঘদিন সংসার চালানো দুষ্কর হয়ে উঠেছিল তার। এরপর রাজস্থানে কাজের সন্ধান আসতেই বেশিকিছু না ভেবে চলে যান। ভেবেছিলেন কিছু অর্থ উপার্জন করে সংসারের সকলের মুখে অন্ন তুলে দেবেন। ঘরে একটি পাঁচ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে তাঁর। সেই ফুটফুটে মেয়ের জন্য কিছু করবেন ভেবেছিলেন। প্রায় ৬ মাস কাজ করে অর্থ জমিয়েছিলেন। সেই অর্থ নিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকের।
সোমবার বাড়ি ফেরার কথা ছিল যুবকের। রবিবার রাত আটটা নাগাদ কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন সুকল। সেখানেই গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে তারা দ্রুত এসে মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়। মৃতের পোশাক থেকে ঠিকানা পেয়ে বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।খবর পেতেই কান্নায় ফেটে পড়ে পরিবারসহ প্রতিবেশীরা।
যুবকের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মানতে নারাজ তারা। সকলেই বিস্তারিত তদন্তের আর্জি জানিয়েছে পুলিশের কাছে। কারণ, ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিককে হেনস্থার ঘটনা নতুন নয়। অতীতে বহুবার এই দৃষ্টান্ত মিলেছে। তাই তেমনই আঁচ করছেন পরিবারের সদস্যরা। তবে পুলিশের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে , সত্যি এমন কিছু ঘটলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
মৃতের ভাই রঞ্জিত জানিয়েছেন , "আজ সকালে ফোন করে জানানো হয় দাদার অ্যাক্সিডেন্টে মৃত্যু হয়েছে। ঘরে মা , বাবা , বৌদি আর দাদার একটা পাঁচ বছরের মেয়ে আছে। সংসারের অভাবেই রাজস্থানে কাজে গিয়েছিল। বলে গিয়েছিল টাকা নিয়ে ফিরবে। তবে ফেরার পথে নাকি অ্যাক্সিডেন্ট হয়। সংসারের অবস্থা ভাল নয় তাই হাল ধরতে কিছু অর্থ উপার্জন করবে বলে ভেবেছিল। কিন্তু দেখুন ভাল কাজ করতে গিয়ে এইভাবে প্রাণ যায়। ভাইঝিকে আমি কি বোঝাবো বলুন?"
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর