নিজস্ব প্রতিনিধি , ছত্তিশগড় - প্রতিকূলতার পাহাড় পেরিয়ে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর এক অনন্য নাম নকশালবাড়ির সঞ্জিতা ওরাওঁ। দিনমজুরের ঘরে অভাবকে সঙ্গী করেই তিনি ১০ হাজার মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক জিতেছেন। কোনো আধুনিক ট্রেনিং ছাড়াই কেবল জেদের জোরে এই অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি। তাঁর এই নিঃশব্দ লড়াই আজ কোটি কোটি নারীর কাছে এক নতুন অনুপ্রেরণা।
উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়ির এক সাধারণ পরিবারে জন্ম সঞ্জিতার। বাবা-মা দুজনেই চা-বাগানে কাজ করে সংসার চালান। অভাব এতটাই ছিল যে দুবেলা পেট ভরে খাওয়াও জুটতো না তাঁদের। পুষ্টিকর খাদ্য আর ভালো ভালো জামাকাপড় কেনা সঞ্জিতার কাছে ছিল বিলাসিতা। তবুও ছোট থেকেই দৌড়ানোর স্বপ্ন আর অদম্য জেদ তাঁকে তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও স্থানীয় স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে নকশালবাড়ি কলেজে স্নাতকের শেষ বর্ষে পড়ছেন সঞ্জিতা। পড়াশোনার পাশাপাশি চা-বাগানের কাঁচা রাস্তায় খালি পায়ে দৌড়েই শুরু তাঁর অ্যাথলেটিকস যাত্রা। এমনকি কোনো কোচিং বা আধুনিক সরঞ্জাম না থাকা সত্ত্বেও তিনি কখনো থেমে থাকেননি।
জীবনের এত প্রতিকূলতার পর সঞ্জিতার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে ছত্তিশগড়ে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের খেলো ইন্ডিয়া ট্রাইবাল গেমসে। সেখানে ১০ হাজার মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক জিতে তিনি দেশের সেরা অ্যাথলিট হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন। দিনমজুরের কন্যার এই অভাবনীয় সাফল্য আজ বাংলার সীমা ছাড়িয়ে গোটা দেশের গর্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিকূলতাকে জয় করে তিনি আজ প্রমাণ করেছেন যে, পরিশ্রম থাকলে শূন্য থেকেও আকাশ ছোঁয়া সম্ভব হয়।
প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে নতুন জোয়ার! ফিলিপাইন্সের পর এবার ভিয়েতনামের শক্তি বাড়াতে চ...
বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের ‘হাঙর’! ভারতের পূর্ব উপকূলে চিনা সাবমেরিনের নয়া চ্যালেঞ্...
মালয়েশিয়া থেকে ভারতে ফেরানো হল ২ খলিস্তানি জঙ্গিকে! পঞ্জাবে নাশকতার মামলায় বড় স...
দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক তেল আবিব! পাকিস্তানের ভূমিকাতেও প্র...
ছেলের স্বপ্নপূরণের সাক্ষী হতে এবার বিশ্বকাপে মা, ভিসা জট কাটাল আমেরিকা