নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - অতি অল্প বয়সেই জীবনের কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় অভিশী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ইসকেমিক স্ট্রোকের মতো মারাত্মক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় এই মেধাবী পড়ুয়া। তবে এই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কখনও তাকে লক্ষ্যে পৌঁছতে থামাতে পারেনি। সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে ২০২৬ সালের সিবিএসই পরীক্ষায় ৮৬ শতাংশ নম্বর পেয়ে নজর কাড়ল সে।
ছোট থেকেই পড়াশোনায় ভীষণ মনোযোগ রয়েছে অভিশীর। নিয়মিত স্কুলে যাওয়া, পড়ার প্রতি আগ্রহ সবকিছু নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই এগোচ্ছে তার জীবন। এমনকি পরিবারের থেকে জানা যায়, পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য কাজেও যথেষ্ট সক্রিয় ছিল সে। এইভাবেই ভবিষ্যতে কিছু করার স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছিল তার জীবন। কিন্তু হঠাৎ করেই সেই স্বাভাবিক অবস্থায় আসে বড়সড় পরিবর্তন।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়ে অভিশী। স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে প্রবল মাথাব্যথার পর বাথরুমে পড়ে যায় সে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ধরা পড়ে ইসকেমিক স্ট্রোক। শরীরের ডানদিক প্রায় পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়, কথা বলার ক্ষমতাও হারায়। সেই মুহূর্তেই অভিশীকে ভর্তি করা হয় ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্সেসে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চলতে থাকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা আর চিকিৎসা। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ নিউরো রিহ্যাব প্রক্রিয়া। অকুপেশনাল থেরাপি আর রোবটিক সহায়তায় ক্রমশ অভিশীর শরীরের নড়াচড়া, আঙুলের শক্তি ফিরে আসতে থাকে।
এইভাবেই দীর্ঘ আড়াই বছরের লড়াইয়ের পর আজ নতুনভাবে নিজেকে গড়ে তুলেছে অভিশী বন্দোপাধ্যায়। শরীর সুস্থ হওয়ার পাশাপাশি পুনরায় কলম ধরে আসতে আসতে নিজের পড়াশোনা শুরু করে সে। তার জীবনের এই কঠিন যাত্রার ফল পেয়েছে ২০২৬ সালের সিবিএসই পরীক্ষায়। যেখানে অভিশী দশম শ্রেণীতে ৮৬ শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। প্রতিকূলতার সামনে হার না মানা অভিশীর সাফল্য আজকের পড়ুয়াদের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
"দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি থাকলে যেকোনো বয়সে জীবনের যেকোনো বাধাই পেরোনো সম্ভব হয়।"
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...