নিজস্ব প্রতিনিধি , পুরুলিয়া - দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে পাকা রাস্তার সমস্যায় ক্ষুব্ধ হয়ে ভোট বয়কটের ডাক দিলেন গ্রামবাসীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ঝালদা ২ নম্বর ব্লকে। 'নো রোড, নো ভোট' - এই স্লোগানে মুখরিত হয় গোটা এলাকা। যদিও প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত ঝালদার হরতান গ্রামে কোনও পাকা রাস্তা তৈরি হয়নি। রিগিদ হাই স্কুল থেকে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে পর্যন্ত যাতায়াতের পথটি বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য। বিশেষ করে বর্ষাকালে কাদার দাপটে পথ চলা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে ভুগছেন কয়েকশো পরিবার। গ্রামবাসীদের দাবি, প্রায় ১৪ কিলোমিটার হেঁটে গেলে তবেই কোনও যানবাহনের দেখা পাওয়া যায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলাশাসক এবং সাংসদ-সকলকে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হলেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। রাস্তার কঙ্কালসার চেহারার কারণে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। এমনকি কোনও প্রসূতি বা মুমূর্ষু রোগী থাকলে তাঁদের কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয়। গত বছর গ্রামে পানীয় জলের ট্রাঙ্ক আনতে গিয়ে এক যুবকের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে বলে অভিযোগ। এই আবহে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সরব হয়েছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে ২৪১ জয়পুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটদান থেকে বিরত থাকবেন সকলে।
এ প্রসঙ্গে বিক্ষোভকারী ভক্তিপদ মাহাত বলেন, '১৯৭৭ সাল থেকে আমি এই কষ্ট সহ্য করছি। ভোটের সময় সব দলের নেতারা আসেন, প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু জেতার পর আর কারও দেখা মেলে না। আমরা ভালো মনে তাঁদের বিশ্বাস করে ঠকে যাই। প্রসূতি মায়েদের হাসপাতালে নিতে গেলে কোনও অ্যাম্বুলেন্স বা গাড়ি গ্রামে ঢুকতে চায় না। আমাদের দাবি একটাই - আগে রাস্তা হোক, তবেই আমরা ভোটকেন্দ্রে যাব'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়