নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - নির্বিঘ্ন আর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হলো ঐতিহ্যবাহী ৮২তম হলদিবাড়ি হুজুর সাহেবের মেলা। এই মেলা একরামিয়া ইসালে সাওয়াব নামেও পরিচিত। ২ দিনব্যাপী এই ধর্মীয় মেলাকে কেন্দ্র করে দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হন হুজুর সাহেবের দরবারে দোয়া আর প্রার্থনার উদ্দেশ্যে।

প্রতিবছর ফাগুন মাসে এই মেলা অনুষ্ঠিত হলেও , এ বছর পবিত্র রমজান মাস থাকায় এক মাস এগিয়ে আনা হয় মেলার তারিখ। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, প্রতিবেশী রাজ্য অসম , বিহার থেকেও বহু পুনার্থী আর দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে। মেলার দ্বিতীয় ও শেষ দিনে উপচে পড়া ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে এই মেলা কার্যত এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

মেলার শেষ দিনে আখরি মোনাজাতের মধ্য দিয়েই শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় এই ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় অনুষ্ঠান। আসাম সহ বাংলার গদ্দিনশীন পীর শাহ সুফী সৈয়দ খন্দকার নুরুল হক রুমি হুজুর বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণের কামনায় মোনাজাত করান। ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মিলনমেলায় সম্প্রীতির বার্তা দিল হলদিবাড়ি হুজুর সাহেবের মেলা।
একটি ২০০০ টাকার মিষ্টি বানাতে লাগে প্রায় আড়াই কেজি ছানা আর সময় লাগে ২ ঘন্টারও বেশি
ছোটোখেলনা সুরেন্দ্র স্মৃতি বিদ্যামন্দিরে আয়োজিত হল সাতদিনব্যাপী বইমেলা
নানা রকম ঐতিহ্যবাহী পিঠের ইতিহাস ও খোঁজখবর
জয়দেব মেলায় লোকসংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের অপূর্ব মিলনে বাংলার সংস্কৃতি প্রাণ পায়
ফুচকা, ঘুগনি, ফ্রাইড রাইস, পিঠেপুলি থেকে শুরু করে নানা স্বাস্থ্যসম্মত ভেষজ উপায়ে তৈরি পদ ছিল স্টলগুলির মূল আকর্ষণ
পাঞ্জাবের ঐতিহ্যবাহী লোহরির তাৎপর্য তুলে ধরলেন হারনাজ সান্ধু
হাদির মৃত্যুতে গর্জে ওঠেন ওমর
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
দিনভর বৈঠকের পরও একতরফা আসন ঘোষণা জামাতের
পাকিস্তানের মাথাব্যাথার কারণ টিটিপি
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিদ্রোহের আগুনে জ্বলছে ইরান