নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল অবস্থায় ক্ষুব্ধ হয়ে ভোট বয়কটের ডাক দিলেন শহরবাসী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে কৃষ্ণনগর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। 'রাস্তা নেই তো ভোট নেই' - এই দাবিতে সরব হয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কয়েকশো বাসিন্দা। যদিও প্রশাসনের তরফে এখনও বিষয়টি নিয়ে কোনো সদর্থক আশ্বাস মেলেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষ্ণনগরের সাউথ গড় লেনের যাতায়াতের রাস্তাটি গত দুই দশক ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে রয়েছে। অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহু বছর আগে নামমাত্র ইটের ওপর মোরাম বিছিয়ে দায় সারা হয়েছিল। সেই মোরাম উঠে গিয়ে এখন পাথরের গর্তে ভরা বিপজ্জনক চেহারা নিয়েছে। এমনকি ধুলোর দাপটে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন একাধিক বাসিন্দা। এছাড়াও দাবি, রাস্তার ধারের ধসও এলাকাবাসী নিজেদের অর্থ খরচ করে সারিয়েছিলেন। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে ওই ওয়ার্ডের প্রায় ৪০০ মানুষের।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেহাল পথের কারণে এলাকায় কোনো অ্যাম্বুলেন্স বা যানবাহন ঢুকতে চায় না। ফলে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে চরম বেগ পেতে হয়। বারবার পুর প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্বারস্থ হলেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। এই আবহে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এলাকার মানুষ। তাঁদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, অবিলম্বে পথটির স্থায়ী সংস্কার না হলে কোনো প্রার্থীকেই ভোট দেবেন না তাঁরা। এমনকি কোনো রাজনৈতিক প্রতিনিধিকে এলাকায় ভোট প্রচারেও ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে পথচলতি ব্যক্তি চন্দন সাহা বলেন, 'আমি নিয়মিত এই পথে যাতায়াত না করলেও যখনই আসি, ভীষণ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। আর এখানকার স্থায়ী বাসিন্দাদের তো রোজই নরকযন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে। রাস্তা সংস্কারের দাবিতে যাঁরা সরব হয়েছেন, তাঁরা একদম ঠিক কাজ করেছেন। এই রাস্তার দ্রুত সংস্কার হওয়া প্রয়োজন'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়