নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অবশেষে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। সোমবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির ম্যারাথন জেরার পর গভীর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত কয়েক মাস ধরেই ইডির নজরে ছিলেন সুজিত বসু। ভোটের আগে একাধিকবার তাকে তলব করা হলেও নির্বাচনী প্রচারের কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়ান। এমনকি একসময় আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিলেন তিনি। ভোট মিটতেই গত ১ মে প্রথমবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন প্রাক্তন মন্ত্রী। সেদিন দীর্ঘ জেরার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও সোমবারের জেরা অন্য মোড় নেয়।
সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছান সুজিত বসু। তারপর শুরু হয় টানা প্রশ্নোত্তর। তদন্তকারীদের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক অসঙ্গতি এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে। গ্রেফতারির পর মঙ্গলবার তাকে আদালতে পেশ করা হবে। তদন্তকারীরা আদালতে ইডি হেফাজতের আবেদন জানাবেন বলেই জানা গেছে।
সুজিত বসুর গ্রেফতারির খবর পেয়েই সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান তার স্ত্রী। প্রয়োজনীয় ওষুধ, জামাকাপড় এবং খাবার নিয়ে তিনি সেখানে যান। রাতেই সুজিতের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পেশ করা হবে।
শিক্ষাক্ষেত্রে পালাবদলের ইঙ্গিত হতেই ইস্তফা দুই শীর্ষকর্তার
বর্তমানে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের অধীনে
৭ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করা হয়েছে
বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন মদন মিত্র
কুণালের পোস্ট ঘিরে শুরু রাজনৈতিক তরজা
১০ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় তাকে
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক থেকে মুখ্যসচিব
জুন মাস থেকে মহিলাদের সরকারি বাসের পরিষেবাও বিনামূল্যে শুরু হবে
সরকারি অপচয় কমানোর নির্দেশ শুভেন্দু অধিকারীর
একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে দিলীপ ঘোষ ও অগ্নিমিত্রা পাল
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ঘোষণা বিজেপি সরকারের
আগামী সোমবারের দ্বিতীয় ক্যাবিনেট বৈঠক হতে চলেছে
যদিও ইডি দফতরে হাজিরা দেননি রথীন ঘোষ
কোনো রকমের অস্বচ্ছতা ছাড়াই চলবে সামাজিক প্রকল্প
৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত শুভেন্দু অধিকারীর
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে