নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলার রাজনৈতিক ময়দান ক্রমশ শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একদিকে অশালীন স্লোগান, অন্যদিকে দলবদলের খেলা-সব মিলিয়ে আইএসএফ, তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। ভাঙড়-সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দুই শিবিরের এই লড়াইয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভোটের আগে বর্তমান পরিস্থিতিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে স্থানীয় মহল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে নওশাদ সিদ্দিকীর সমর্থকদের একাংশকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে কুরুচিকর মন্তব্য করতে দেখা যাচ্ছে। ‘কালীঘাটের ডাইনি’ বা ‘ময়না’-র মতো শব্দ ব্যবহার করে করা সেই স্লোগান ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। এই আচরণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির। শাসকদলের দাবি, রাজনৈতিক লড়াইয়ে ব্যর্থ হয়েই বিরোধী পক্ষ এখন ব্যক্তিগত কুৎসা ও অশালীনতার পথ বেছে নিয়েছে।

অন্যদিকের চিত্রটি আরও নাটকীয়। ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের দাপুটে নেতা শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শোয়েব সেখের পরিজনসহ বহু কর্মী বৃহস্পতিবার আইএসএফ-এ নাম লিখিয়েছেন। আরাবুল ইসলামের হাত ধরে এই দলবদল ঘিরে শোরগোল পড়ে গেছে। এদিন সভা থেকে প্রতিপক্ষ শওকত মোল্লার নাম না করেই প্রাক্তন বিধায়ক গর্জে উঠে বলেন, ‘মোল্লার দেখ কেমন লাগে?’ অর্থাৎ নিজের গড়ে শক্তিক্ষয় নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। তবে এই ভাঙন নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত নন সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি।
এ বিষয়ে শওকত মোল্লা জানান, 'যারা শিবির ছেড়েছেন বলছেন তারা আদতে দলের কেউ নন। বাইরের লোক দিয়ে বিরোধীরা নাটক করার চেষ্টা করছে। সমাজবিরোধী মানুষ তারা। নির্বাচন এলে এমন কাজ শুরু হয়। যা করছে করতে দিন। হারার ভয়েই অন্য দলগুলো এসব ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিচ্ছে'।
যোগদানকারী এক ব্যক্তি বলেন, 'আমি অনেকদিন তৃণমূল করেছি। ১৫ বছর সরকার যদি উন্নয়ন করতো তবে এত গুন্ডার দরকার হতো কেন? আমাদের ভাই নওশাদ সিদ্দিকী ৫ বছর রয়েছেন কিন্তু কোনো দুর্নীতি নেই। বর্তমান প্রশাসনে ভালো মানুষ মেলা ভার। তাই এখানে এসেছি'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়