নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - আনন্দপুরের নাজিরবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডকে সামনে রেখে ফের তীব্র আক্রমণে বিরোধী পক্ষ। ব্যারাকপুরের সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলকে সরাসরি কাঠগড়ায় তুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুর্নীতিকেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ বলে দাবি করেন তিনি। একইসঙ্গে, প্রশ্ন তোলেন, এত মৃত্যু, এত নিখোঁজের পরেও কেন অধরা মোমো সংস্থার মালিক?
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটকে পাখির চোখ করে বাংলায় প্রচারে জোর বাড়িয়েছে বিজেপি। সেই লক্ষ্যেই শুক্রবার রাতে কলকাতায় এসে শনিবার ব্যারাকপুরের আনন্দপুরীতে কর্মী সম্মেলনে যোগ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভাষণের শুরুতেই তিনি আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। এরপরেই সম্পূর্ণ ঘটনায় চাঁচাছোলা ভাষায় রাজ্য সরকার সহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন শাহ।
অমিত শাহের অভিযোগ, ' তৃণমূলের দুর্নীতির ফলেই ঘটেছে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এত মানুষ মারা গেলেন, এখনও অনেকে নিখোঁজ তারপরও কেন মোমো সংস্থার মালিককে গ্রেফতার করা হল না। মোমো কারখানার মালিক যিনি, তিনি কার ঘনিষ্ঠ? সেখানে কার টাকা বিনিয়োগ হয়েছে? বিমানে ওই মালিক সফর করেছেন। তাকে গ্রেফতার করা হল না কেন? এত জন মারা গেলেন, অনুপ্রবেশকারী হলে এ রকমই করতেন মমতাজি? এই নিয়ে রাজনীতি কেন করছেন? লজ্জা পাওয়া উচিত।'
এখানেই থামেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আরও তীব্র সুরে মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি নিশানা করে তিনি বলেন, ' অগ্নিকাণ্ডে আপনার লোক শামিল মমতাজি। জলা জমিতে গুদাম হয়েছে। তা বাইরে থেকে কেন বন্ধ ছিল? ভিতরে লোক জ্বলে পুড়ে মরেছে। বাইরে আসতে পারেননি। মমতাজি, পর্দা দিতে চাইলে দিন, এপ্রিলের পরে বিজেপি সরকার আসবে। এই অগ্নিকাণ্ডের অপরাধীদের জেলে পাঠাব।'
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর