নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - বিজেপির মনোনীত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে জমা দেওয়া মনোনয়ন ফিরিয়ে নিলেন দলের একনিষ্ঠ কর্মী। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কৃষ্ণনগর এলাকায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের লড়াই শুরুর আগে এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটে যাওয়ায় স্বস্তিতে পদ্ম শিবির।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে তারকনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই গেরুয়া বাহিনীর একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধে। আদি সদস্যদের দাবি ছিল, ঘরের ছেলেকে দাঁড় করাতে হবে। ক্ষোভের জেরে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ পর্যন্ত দেখান তারা। সেই প্রতিবাদের মুখ হিসেবেই লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছিলেন বর্ষীয়ান নেতা চঞ্চল বিশ্বাস।

কিন্তু সোমবার চিত্রটা বদলে যায়। আরএসএস-এর সিনিয়র নেতৃত্ব ও কার্যকরতাদের মধ্যস্থতায় শেষ পর্যন্ত পিছু হঠলেন বিক্ষুব্ধ এই ব্যক্তিত্ব। মহকুমা শাসকের দফতরে উপস্থিত হয়ে পাশের সহকর্মীকে নিয়ে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন তিনি। তার স্পষ্ট বার্তা, আন্দোলনের মাধ্যমে নিজের বক্তব্য পৌঁছে দিতে সার্থক হয়েছেন। এবার ব্যক্তিগত বিভেদ ভুলে সকলে মিলে দলকে জেতাতে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।
এ বিষয়ে চঞ্চল বিশ্বাস জানান, 'সংগঠনের সঙ্গে আমি অল্প বয়স থেকে যুক্ত। এখানকার যে মানুষদের আমি শ্রদ্ধা করি, সেই সিনিয়ররা আমার বাড়িতে অনুরোধ নিয়ে এসেছিলেন। তাদের কথা রাখতেই সরে দাঁড়ালাম। আজীবন বিজেপি করেছি, তাই প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন করব। তবে আমার প্রতিবাদ সার্থক হয়েছে। কারণ অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছি'।
অন্যদিকে, প্রার্থী তারকনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'বিজেপি একটি পরিবার। যেকোনো পরিবারে যেমন সমস্যা হয়, আবার তা মিটেও যায়। তেমনই দাদা এগিয়ে এসে আমাকে আশীর্বাদ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের যে লড়াইয়ে আমরা নেমেছি, সেখানে সবাই একসঙ্গে লড়াই করব। এই বিধানসভায় পদ্মফুলকে জিতিয়ে শুভ সূচনায় অংশ নেব'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়