নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি – আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। এরপর থেকে ত্রিমুখী যুদ্ধ শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ঢেকেছে কালো ধোঁয়ায়। বাতাসে বারুদের গন্ধ। খামেনেইয়ের মৃত্যুতে চুপ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই নিয়ে কেন্দ্রকে খোঁচা দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী।
সোনিয়া গান্ধী খোঁচা দিয়ে বলেন, “১৯৯৪ সালে মুসলিম দেশগুলির জোট ‘ওআইসি’ রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনে কাশ্মীর নিয়ে ভারত বিরোধী প্রস্তাব উত্থাপন করে। কিন্তু সেই সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা আটকে দেয় বন্ধু ইরান। ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রাথমিক পর্যায় চলছিল। আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হলে দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান আরও জটিল হয়ে উঠতে পারত।“
কংগ্রেস নেত্রী আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের মনে রাখা উচিত, ২০০১ সালের এপ্রিলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী তেহরান সফরের সময় ইরানের সঙ্গে ভারতের গভীর সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। বাজপেয়ীর সেই স্বীকৃতি বর্তমান সরকারের কাছে প্রাসঙ্গিক নয় বলে মনে হচ্ছে। খামেনেইয়ের মৃত্যুতে মোদি সরকারের চুপ থাকার কৌশল নিরপেক্ষতার বার্তা বহন করে না। তারা তাদের দায়িত্ব থেকে পিছু হটছে। এটি ভারতের বিদেশনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলে।“
উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী
ত্রিমুখী যুদ্ধে অগ্নিগর্ভ মধ্যপ্রাচ্য
ভারত-কানাডার বন্ধুত্ব
ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ তুঙ্গে
সপ্তাহের প্রথম দিনই রক্তাক্ত শেয়ার বাজার
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও
যুদ্ধের কালো মেঘ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে
ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য থানেতে
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
অভিযুক্ত যুবতীর খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর