নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - সরকারি আবাসনে ভবঘুরেদের বাসি খাবার দেওয়ার অভিযোগ উঠল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শান্তিপুরে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়দের একাংশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , কয়েক বছর আগে তৎকালীন চেয়ারম্যান অজয় দে ও বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্যের তত্ত্বাবধানে তৈরি হয় 'দিশারী' আবাসন। যেখানে ভবঘুরেদের থাকা-খাওয়ার অস্থায়ী ব্যবস্থা রয়েছে। মূলত ৫০ জনের ধারণক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে প্রায় ২০ জন আশ্রিত রয়েছেন।

সম্প্রতি আবাসিকদের একাংশের দাবি, সেখানে নিয়মিত পচা ও নষ্ট খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। যার ফলে বাধ্য হয়ে অনেকে স্টেশনে আশ্রয় নিচ্ছেন। এমনকি তাঁদেরকে দিয়ে ভিক্ষা করানোর অভিযোগও সামনে এসেছে। যদিও বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে আবাসন কর্তৃপক্ষ।
ভবঘুরে দুলাল দে জানান, 'আমি প্রায় এক মাস ছিলাম। শুধুমাত্র খাবারের সমস্যার জন্য চলে এসেছি। রীতিমতো গন্ধ বেরোত। একবার রান্না করে ৭ দিন একই খাবার দেওয়া হতো। ওই জায়গায় কেউ বেশিদিন থাকতে পারে না। ১০-১৫ দিন থাকার পরই অনেকে চলে যেতে বাধ্য হয়'।
অন্য ভবঘুরে অনুপ দেবনাথ জানান, 'আমি মোট ১৪ দিন থেকেছি। ওখানকার একজন বয়স্ক কাকা আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন। দিনে ২ বার খাবার দিত। সম্পূর্ণ বাসি খাবার। পেটের দায় বড় দায়, তাই বাধ্য হয়ে খেতে হতো। আমাদের নাম খাতায় নথিভুক্ত হওয়ার পর কিছুদিন যেতে না যেতেই ভিক্ষা করতে বলত'।
পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ জানান, 'ওখানে যতজন থাকেন তাঁদের জন্য ১০% অর্থ সরকার প্রদান করে। তাই সবসময় ৩ বেলা খাওয়ানো সম্ভব হয় না। অনেক সময় সামাজিক সংগঠনগুলি কোনও অনুষ্ঠানের খাবার দেরিতে দিয়ে যায়। হতে পারে তখন সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু আবাসনের রান্না করা খাবার বাসি হওয়ার কথা নয়। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়