নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - রাতের অন্ধকারে মৎস্যজীবীর ফিশারির ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ নিতে অস্বীকার করল পুলিশ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কাকদ্বীপের ঢোলা এলাকায়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গেরুয়া শিবির। যদিও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া করেনি শাসকদল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রামগোপালপুর অঞ্চলের বাসিন্দা মঙ্গল মণ্ডল পেশায় মৎস্যজীবী, বিজেপির সক্রিয় কর্মী। ভেড়িতে মাছ চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। ভেড়ির ধারে ছোট একটি মাটির ঘরে রাখতেন জাল, খাবার, মোটর, বৈদ্যুতিক তার, ডেলিভারি পাইপ-সহ একাধিক সরঞ্জাম। অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবার কাজ সেরে সন্ধ্যাবেলায় বাড়ি ফেরেন। গভীর রাতে স্থানীয়দের চিৎকার শুনে ছুটে এসে দেখতে পান দাউদাউ শিখায় জ্বলছে ঘর।

এলাকাবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও ফাঁকা মাঠে প্রবল বাতাসের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়। দীর্ঘক্ষণ পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় সমস্ত উপকরণ। ভিতরে কেউ না থাকায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ক্ষতির পরিমাণ লক্ষাধিক টাকা। মালিকপক্ষের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু দুষ্কৃতী এই কাজ করেছে।
পরিবারের বক্তব্য, বিষয়টি জানাতে ঢোলা থানায় গেলে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করা হয়। খবর পেয়ে পরদিন ঘটনাস্থলে পৌঁছান কাকদ্বীপের বিজেপি নেতা মেঘনাথ দেবশর্মা ও পশ্চিমবঙ্গ মৎস্যজীবী সেলের কনভেনার পলাশ রানা। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন, পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
মেঘনাথ দেবশর্মা জানান, 'যে অফিসার অভিযোগ নেননি, তাঁকে দিয়ে অভিযোগ নেওয়ার দায়িত্ব আমার। ২০২১ সালেও এই পরিবারের ওপর অত্যাচার হয়েছে। ২০২৩ সালেও ঘর ভাঙচুর করা হয়েছিল। সামনেই নির্বাচন, তাই আবার এসব করে ভয় দেখাতে চাইছে। আমরা দলের পক্ষ থেকে সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলাম, আছি এবং থাকব'।
পলাশ রানা জানান, 'পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এখন লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত। আগামী নির্বাচনে রাজ্য সরকারকে পরিবর্তন করতে হবে, তার জন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রাজ্যে মৎস্যজীবী সমাজ, যাঁরা সমুদ্রে মাছ ধরেন, চাষ করেন, কিংবা কাঁকড়া ধরেন-সমস্ত সম্প্রদায় একত্রিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বঙ্গোপসাগরে বিসর্জন করবেন'।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর