নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম বর্ধমান - দেশরক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই অকালে প্রাণ হারালেন বীর সেনাসন্তান। ঘটনার পর শোকের ছায়া নেমে এসেছে দুর্গাপুরের বিদ্যাসাগর পল্লী এলাকায়। পরিবার-পরিজনসহ প্রতিবেশীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে গভীর বেদনাময় পরিবেশ। স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি শহীদের আত্মার শান্তি কামনা করেন উপস্থিত সকলেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামড়া বাজারের বাসিন্দা ছিলেন অজয় জয়সওয়াল। ছোটবেলা থেকেই দেশের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। সেই লক্ষ্যেই কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে কয়েক বছর আগে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সুযোগ পান। বাড়িতে রয়েছেন বাবা, মা, ভাই ও স্ত্রী। সম্প্রতি জম্মুতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলার সময় আচমকাই ঘটে বিপত্তি। গোলন্দাজ বাহিনীর মহড়া চলাকালীন একটি গোলার আঘাতে প্রাণ হারান ওই জওয়ান।

দুঃসংবাদ পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিমানে করে তাঁর মরদেহ অন্ডাল বিমানবন্দরে আনা হয়। পরে সেটি পানাগড় বায়ুসেনা ঘাঁটিতে রাখা হয়েছিল। এরপর শুক্রবার ভোরে সামরিক মর্যাদায় শহীদের দেহ নিজ বাসভবনে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ শায়িত রাখা হয় কফিনবন্দি দেহ। স্বজনদের পাশাপাশি পাড়া-প্রতিবেশী ও বহু মানুষ বীর সেনানিকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক, প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারপার্সন-সহ বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান উপস্থিত থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানান। এছাড়াও সমাজসেবী উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়, শিপুল সাহা ও রাজেশ কোণার প্রমুখ কফিনে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান। সবশেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় শেষকৃত্য।
এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা জানান, 'অজয় অত্যন্ত অমায়িক ছেলে ছিল। দেশের কাজে গিয়ে এভাবে প্রাণ হারাবে ভাবতেও পারিনি। ও আমাদের পাড়ার গর্ব। তাঁর এই আত্মত্যাগ আমরা কেউ ভুলব না। বীর জওয়ানকে শেষবারের মতো দেখতে আজ বহু মানুষ এখানে জড়ো হয়েছেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়