নিজস্ব প্রতিনিধি, ওয়াশিংটন – ২ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলছে বিশ্বের তিন সামরিক শক্তিশালী দেশের মধ্যে যুদ্ধ। কেউ কাউকে এক ইঞ্জিও জায়গা ছাড়তে রাজি নয়। ইরানকে সামরিক ক্ষমতায় দুর্বল করতে মরিয়া আমেরিকা। পাল্টা প্রত্যাঘাত করতে তেহরানও। এই আবহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, “ইরানের ড্রোন তৈরির কারখানায় হামলা চালানো হয়েছে।“
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, “ইতিমধ্যেই অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে ইরানের সামরিক ক্ষমতা। ইরানের হাতে এখন খুব কম সামরিক শক্তি বাকি আছে। আমরা তাদের উৎপাদন ক্ষমতাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছি। ড্রোনের সংখ্যাও অনেক কমে গিয়েছে। আগে যত ছিল, এখন তার প্রায় ২০ শতাংশের মতো রয়েছে। গতকাল থেকেই আমরা সেই সব জায়গায় হামলা চালাচ্ছি, যেখানে এই ড্রোনগুলি তৈরি করা হয়।“
উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলায় নিজের দফতরেই মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন খামেনেইয়ের মেয়ে, জামাই, নাতি-নাতনি, ধর্মগুরুর পুত্রবধূ। এরপর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বেপরোয়া আক্রমণ চালায় ইরান। প্রতিবেশী দেশ ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান, জর্ডনে নির্বিচারে ড্রোন, মিসাইল হামলা চালাচ্ছে তেহরান।
প্রায় তিন দশক পর মুখোমুখি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন
শুক্রবার বৈঠকে বসতে চলেছে ইসরায়েল - লেবানন
পাকিস্তানে তীব্র জ্বালানি সঙ্কট
নতুন করে যুদ্ধের ঘন কালো মেঘ ছেয়ে গেছে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে
ইতিমধ্যেই হরমুজে নামানো হয়েছে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ
একই ওষুধ দিয়ে একাধিক শিশুকে ইনজেকশন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এবার নয়া মোড়
আমেরিকাকে সাহায্য করার অভিযোগ উঠেছে এই দেশগুলির বিরুদ্ধে
হরমুজ অবরোধের সিদ্ধান্তকে কঠোরভাবে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে
জ্বালানি সঙ্কট মেটানোর জন্য চীনের কাছে হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
কিউবার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো একেবারেই ভেঙে পড়েছে
হরমুজ নিয়ে ফের শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখছে ইরান
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়