নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে তৈরি হওয়া এলপিজি সংকটের পরোক্ষ প্রভাব এবার পড়ল মিষ্টি শিল্পে। রান্নার গ্যাসের তীব্র ঘাটতির জেরে জয়নগরের প্রসিদ্ধ 'বীণাপাণি মিষ্টান্ন ভাণ্ডার' এখন বন্ধের মুখে। আকাশছোঁয়া দাম দিয়েও মিলছে না বাণিজ্যিক সিলিন্ডার, যার ফলে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে কারিগররা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বহুরু এলাকার এই নামী মিষ্টির দোকানে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ছানার মিষ্টি ও অন্যান্য দুগ্ধজাত সামগ্রী তৈরি হয়। কিন্তু ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে এলপিজির জোগান তলানিতে ঠেকায় ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। বিশেষ করে ছানা ফোটানো বা দুধ গাঢ় করার মতো সময়সাপেক্ষ কাজগুলো গ্যাসের অভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়েই মেনু থেকে একাধিক জনপ্রিয় মিষ্টি বাদ দিতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে এলপিজির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে চলছে কালোবাজারি। যে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম আগে ১৮০০ টাকা ছিল, এখন তা ২৪০০ থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এমনকি চড়া দাম দিতে চাইলেও মিলছে না সিলিন্ডার। এর প্রভাব পড়ছে দুগ্ধ ব্যবসায়ীদের ওপরেও। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মিষ্টির দোকান দুধ কম নেওয়ায় গোয়ালারাও বিপাকে পড়েছেন। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বহু দুগ্ধচাষি তাঁদের গবাদি পশু বিক্রি করে দিতে বাধ্য হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বীণাপাণি মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের কর্ণধার গণেশ দাস জানান, ‘৩ জন সরবরাহকারী আমার দোকানে গ্যাস দিতেন। ২ জন ইতিমধ্যেই সিলিন্ডার দিতে পারছেন না। অবস্থা আরও ২-৩ দিন এমন থাকলে প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। যদি কাঠের জ্বালানি বা বিকল্প কোনও ব্যবস্থা করা যায় তাহলে হয়তো ব্যবসা চালু রাখা যাবে, নাহলে বড় সমস্যায় পড়তে হবে। এই মুহূর্তে মিষ্টির দাম বাড়েনি, তবে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ভবিষ্যতে বাড়তেও পারে'।
অন্যদিকে, মিষ্টি শিল্পের উপদেষ্টা ভবানী সরকার বলেন, ‘খবরে দেখেছি বিদেশমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় ইরান থেকে গ্যাসভর্তি জাহাজ আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেই জোগান বাজারে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগবে। ততদিন পর্যন্ত কালোবাজারি ও জ্বালানি সংকটের দ্বৈত চাপে পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে। আশা করছি পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়