নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - সরকারি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত সড়ক তৈরিকে ঘিরে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলে সোচ্চার হল গ্রামবাসীরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিশচন্দ্রপুরের অন্তর্গত রসিদাবাদ অঞ্চলে। যদিও বিষয়টি পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন কোনও পাকা রাস্তা গড়ে ওঠেনি কতোল গ্রামে। দীর্ঘদিনের প্রতিবাদ, আন্দোলন, আবেদনের পর অবশেষে পথশ্রী প্রকল্পের আওতায় ঢালাই রাস্তা তৈরির অনুমোদন মেলে। ১ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দে সম্প্রতি জনমদল সিংহিয়া মাঠ থেকে বেলিয়া পুকুর পর্যন্ত ১.৭০ কিলোমিটার কংক্রিটের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

এই কাজের দায়িত্বে রয়েছেন ঠিকাদার কাশফুল হোদা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সরকারি সিডিউল উপেক্ষা করেই নির্মাণ চলছে। প্রথম স্তরে বালি, পাথরের মিশ্রণ ৬ ইঞ্চি পুরু করার কথা থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৩ ইঞ্চি করে ফেলা হচ্ছে। কোথাও বালি থাকলেও পাথরের ঘাটতি। আবার কোথাও পাথর থাকলেও বালির অভাব স্পষ্ট।
আরও অভিযোগ, বাইরে থেকে মাটি আনার পরিবর্তে রাস্তার অংশ কেটে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী জল ছিটিয়ে রোলিং না করেই তড়িঘড়ি ঢালাইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি। এইভাবে দায়সারা নির্মাণ হলে ১ বছরের মধ্যেই রাস্তা ভেঙে পড়বে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম জানান, 'একটু ঝড় বৃষ্টি হলেই কাদা হয়ে যেত পুরো এলাকা। অনেক প্রতিবাদের পর এই রাস্তা হচ্ছে। তাতেও দুর্নীতি। ঠিকাদারকে সিডিউল দেখতে চাইলে বলে বিডিও অফিস বা জেলা দফতরে যেতে। ১০-১৫টি গ্রামের মানুষ এই পথ ব্যবহার করে থাকেন। এমন অনিয়ম মেনে কিছুতেই কাজ হতে দেব না'।
দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মানস দাস জানান, 'সরকারি নির্দেশিকার বাইরে কাজ হলে সেটা আইনত অপরাধ। আমি নিজে রাস্তা পরিদর্শনে যাব। পাশাপাশি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদেরও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করা হবে। দুর্নীতির প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে'।
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর