নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশে উদ্বেগ ছাত্রছাত্রী মহলে। এমনই চিত্র সামনে এল গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরিস্থিতি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। বিষয়টি দায়িত্ব সহকারে দেখার আবেদন জমা পড়েছে। এখন প্রশ্ন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কবে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , ইংলিশবাজারে অবস্থিত নামখ্যাত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক হাজার পড়ুয়া পড়াশোনা করেন। সুরক্ষার জন্য রয়েছে উঁচু সীমানা প্রাচীর, লোহার বিশাল গেট ও মোতায়েন রক্ষী বাহিনী। তবুও অভিযোগ, সন্ধ্যা নামলেই ক্যাম্পাসে অচেনা লোকজনের আনাগোনা বাড়ে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রায় ১৪৫ মিটার এলাকাজুড়ে দেওয়াল না থাকায় ওই অংশ দিয়েই অবাধ যাতায়াত চলছে। আরও অভিযোগ, জানুয়ারি মাসে নিরাপত্তারক্ষীদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নেই সিসিটিভি নজরদারি। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থার ঘাটতিও প্রকট। এই অবস্থায় পড়ুয়াদের একাংশের আশঙ্কা, অন্ধকার নামলেই ঝুঁকি বাড়ছে।
আরও অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে বহিরাগত ব্যক্তি ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢুকে বিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রীকে ছুরি দেখিয়ে ভয় দেখিয়েছিল। তারপর থেকে নতুন করে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে নিরাপত্তাকর্মীদের একটি অংশের দাবি, জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত বেতন মেলেনি। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে অঙ্ক বিভাগের ছাত্র দ্বীপকুমার ঘোষ জানান, 'আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করুক। পুরোনো ক্যান্টিনের দিকে প্রাচীর নেই। সেখান দিয়ে বহিরাগতরা প্রবেশ করে। ছোটদের ঘুড়ি ওড়াতেও দেখা যায়। আবার কোথাও মদের বোতল পড়ে থাকে। অনেকেই ভাবতে পারেন এগুলো শিক্ষার্থীদের কাজ, কিন্তু রাতের বেলায় বাইরে থেকে এসে এমন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। অন্ধকারে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে'।
বিশ্ববিদ্যালয়র এক কর্তৃপক্ষ জানান, 'নিরাপত্তারক্ষীরা দীর্ঘদিন ধরেই দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। আমাদের অনুরোধেই তাঁরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কোনও বেতন বকেয়া নেই। সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়ে PWD-কে জানানো হয়েছে। পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। অনুদান পেলেই ঊর্ধ্বতন দফতরে জানানো হবে। এই মুহূর্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আগে জরুরি'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়